বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজস্থানের আলওয়ারে আইটিবিপি সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে শত্রুজিৎ কাপুর বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অরুণাচল প্রদেশের একাধিক স্থানে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
জুলাইয়ে উত্তেজনা শুরু
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে অরুণাচল প্রদেশের তাকসিং এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ একটি টহল পয়েন্ট ঘিরে উত্তেজনা দেখা দেয়। এরপর থেকে সীমান্তের কয়েকটি স্থানে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান চলছে।
চীন সীমান্তের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইটিবিপির সব সীমান্ত ইউনিটে ড্রোন প্লাটুন গঠন করা হয়েছে বলে জানান বাহিনীর মহাপরিচালক। এ ছাড়া গালওয়ানের মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ যুদ্ধ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো নির্মাণের কাজও চলছে।
গালওয়ান সংঘর্ষের পর নতুন উদ্বেগ
২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের অবনতি ঘটে। তবে গত কয়েক বছরে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উভয় দেশই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
ডোকলাম ও পূর্ব লাদাখের পর অরুণাচল সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরও একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
মোদি সরকারের নীরবতা নিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীরবতার সমালোচনা করেছে বিরোধী দল কংগ্রেস। দলটির সংসদ সদস্য জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেন, অরুণাচলে টহল পয়েন্টে প্রবেশাধিকার হারানোর আশঙ্কা, চীনের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তন এবং বড় বাঁধ নির্মাণের মতো বিষয়গুলোতে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
সীমান্তে সেনাদের মুখোমুখি অবস্থানের খবর প্রকাশ্যে আসার পর চীন-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
এস
















