সাহেদের মরদেহের সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে এসেছেন তাঁর স্ত্রী কাকলী বেগম ও দুই সন্তান। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্থানীয় গোরস্থানে সাহেদের দাফন সম্পন্ন করা হবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান সাহেদ। বিমানবন্দরে নেমে টার্মিনাল-৩ এলাকা থেকে স্ত্রী কাকলী বেগমের সঙ্গে শেষবারের মতো ফোনে কথা বলেন তিনি।

এর কিছুক্ষণ পরই ওই টার্মিনালে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে সাহেদসহ বেশ কয়েকজন নিহত হন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

সাহেদের খালাতো ভাই মাসুম রানা বলেন, বিমানবন্দরে পৌঁছে সাহেদ তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন। এর কিছুক্ষণ পরই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সব শেষ হয়ে যায়।

পারিবারিক সূত্র আরও জানায়, সাহেদের বাবা রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। ঘটনার সময় সাহেদের মা শাহেরা বেগম ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে ছিলেন। ছেলের মৃত্যুর খবরের পর তিনি চার দিন আগে দেশে ফিরে আসেন।

এস