নরেন্দ্র মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। আগামী সোমবারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার ব্যাপারটি ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছেন আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। তবে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর এনডিটিভির। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের যোগ দেয়ার সম্ভাবনা আছে বলে খবরে জানানো হয়। এ ছাড়া, বাংলাদেশ সম্পর্কে এনডিটিভি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ অনুষ্ঠানের সময় জাপান সফরে থাকবেন বলে তার বদলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী উপস্থিত থাকবেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসব দেশের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। পাকিস্তান মোদীর এ আমন্ত্রণকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে, আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বা তার পক্ষে কেউ উপস্থিত থাকবেন কি না। অবশ্য, নওয়াজ শরীফের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং উপস্থিত ছিলেন না। মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানোর পিছনে প্রতিবেশীদের সাথে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির বহিঃপ্রকাশ বলে জানিয়েছেন বিজেপির সিনিয়র নেতা অরুণ জেটলি। সূত্র: এনডিটিভি [b]ঢাকা, ২২ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ[/b]
মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত
নরেন্দ্র মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। আগামী সোমবারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার ব্যাপারটি ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছেন আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। তবে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর এনডিটিভির।
পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সঙ্গে ইরানের বৈঠক শুরু
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ জোটের তিন সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন।
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমিত করা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ‘মক্কা জোটের’ তিন সদস্য- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান।
ক্ষুধা মোকাবিলায় ভারত পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণকে বাংলাদেশের এই অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিপরীতে, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, শিশুদের অপুষ্টি, সীমিত কর্মসংস্থান এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ পাকিস্তানের ক্ষুধা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে চুক্তি সই করেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। দেশগুলোর মধ্যে সামরিক মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার পথ আরও সুগম করাই এ চুক্তির লক্ষ্য।
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি: মার্কো রুবিও
মতপার্থক্য থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা ওয়াশিংটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।















