ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজার ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের দক্ষিণ সীমান্তে তার ট্যাংক বহর মোতায়েন করছে। এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি অভিযানের নতুন ধাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ও সংবাদ প্রতিবেদন সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনি সূত্রগুলোও বুধবার ইসরাইলি সীমান্তের কাছে ট্যাংক চলাচলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্লেষক ডভ ওয়াক্সম্যান আল জাজিরাকে বলেন, ইসরাইলি বাহিনী সীমান্তের কাছে তাদের ট্যাংক বাহিনী নিয়ে যাচ্ছে। তবে তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে নিয়োজিত হতে যাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত নয়।
তিনি বলেন, আমার মনে হয় না ইসরাইলি সরকার স্থলভাগ দিয়ে বড় ধরনের অনুপ্রবেশ ঘটাবে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আরো বেশি সহিংসতা ছড়িয়ে পড়বে।
গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত, মৃত্যু বেড়ে ৩৬
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। বুধবার সকালেও কয়েক দফা হামলা হয়। ২০১৪ সালের পর এবারই সবচেয়ে তীব্রভাবে গাজায় ইসরাইলি হামলা হচ্ছে। এসব হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৬-এ দাঁড়িয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার থেকে গাজা উপত্যকায় চলা ইসরাইলি বিমান হামলায় ১০ শিশুসহ অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়েছে। আর হামাসের রকেট হামলায় অন্তত তিন ইসরাইলি নিহত হয়েছে।
অধিকৃত পূর্ব জেরুসালেমের আল-আকসা মসজিদ থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার করার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করার পর ইসরাইলে রকেট হামলা শুরু করে ইসরাইল। কয়েক দিন ধরেই আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সে উত্তেজনা চলছে। বিশেষ করে একটি এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করার উদ্যেগ গ্রহণের পর উত্তেজনা বেড়ে যায়। ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী।
গত সোমবার তৃতীয় দিনের মতো ইসরাইলি পুলিশ মসজিদ কম্পাউন্ডে প্রবেশ করে মুসল্লিদের ওপর রাবার বুলেট, স্টান গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। তথ্যসূত্র : আল জাজিরা।
এবিএস
















