চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মালয়েশিয়া।
দ্য স্ট্রেইট টাইমস এক প্রতিবেদনে জানায়, আজ বুধবার দেশটির সিনিয়র মন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব এ ঘোষণা দেন। কিন্তু, কবে থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে তা তিনি জানাননি।
ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব বলেন, ‘এই দেশগুলোর নাগরিকদের ওপর দীর্ঘমেয়াদী সোশ্যাল ভিজিট পাস, ব্যবসায়িক ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে, কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী ও ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশনস-১৯৬১-তে বর্ণিত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।’
এর আগে, ২৮ এপ্রিল থেকে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয় মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক পারমিট আছে এমন জাহাজ ও ভারতীয় নাগরিকদের প্রবেশে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। কিন্তু সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় করোনার ভারতীয় ধরনটি শনাক্ত হয়।
এদিকে মালয়েশিয়ায় করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত হওয়ায় পর থেকে দেশটিতে সংক্রমণ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে আবারও মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) ৩.০ লকডাউন ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।
আগামীকাল শুক্রবার থেকে ২০ মে পর্যন্ত দেশটিতে এমসিও ৩.০ লকডাউন চলবে। আজ বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদুলু এজেন্সির।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আগের এমসিও থেকে এবারের এমসিও কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। অফিস ও শিল্প কারখানা স্বাস্থ্যবিধি ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম (এসওপি) মেনে চালু থাকবে।
গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতিখাতগুলোকে এসওপি মেনে চালু রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কুয়ালালামপুর ও সেলেঙ্গর প্রদেশসহ মোট ছয়টি জেলায় এই এমসিও বহাল থাকবে।
এমআর





