ধর্মীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দান করায় এলাকায় তিনি পরিচিত দানশীল হিসেবে। জীবদ্দশায় হজ পালন করেছেন ৭ বার। তিনি হলেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের আহম্মদপুর গ্রামের ইসমাইল (৬৫)।

পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তিনি। স্বজনরা ইসমাইলকে খুঁজছেন ঢাকা মেডিকেলের মর্গে।   

ঢাকায় বসবাসরত ওই গ্রামের বাসিন্দা ইউনুস ফরাজি জানান, দু’দিন ধরে ইসমাইলের স্ত্রী রোকেয়া বেগম তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কোনোভাবেই তার খোঁজ মিলছে না।

ইসমাইলের পায়ের দু’টি আঙুল জোড়া লাগানো ছিল। সেটি শনাক্ত করতে পারলেও নিশ্চিত করা যায়নি এটিই তার লাশ। এখন ‘ডিএনএ’ পরীক্ষার অপেক্ষায় স্বজনরা।  

নিহতের চাচা আবুল হাসান জানান, গরিব পরিবারের সন্তান ইসমাইল পাকিস্তান আমলে এসএসসি পাস করে পালিয়ে আসেন ঢাকায়। সেখানে ঢাকার বকশীবাজারের বুলবুল হাজী নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে পরিচিত হয়ে ওই দোকানে চাকরি শুরু করেন।

এরপর দিনে দিনে তিনি হয়ে উঠেন দু’টি ফ্যাক্টরির মালিক। চকবাজারেও তার একটি প্লাস্টিকের দোকান ছিল।  

চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দিন ওই প্রতিষ্ঠানেই বসেছিলেন ইসমাইল। তারপরই শেষ হয়ে যায় সবকিছু। স্ত্রীসহ এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে ইসমাইলের।

এমবি