শুক্রবার বেলা ১১টায় আগারগাঁও নির্বাচন অফিস থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী স্মার্ট কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নরুল হুদা। এ সময় এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন সিইসি।
বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের তরুণদের প্রশংসা করে বলেন তারা অনেক দক্ষতার সহিত খুব দ্রুত কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার স্মার্ট কার্ড তৈরি করছে। যেটা তাদের কাজের গতিশীলতা প্রমাণ করে।
তিনি আরও বলেন ভবিষ্যতে এসব কাজের জন্য আমাদের বিদেশীদের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নাই। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে সবার হাতে হাতে স্মার্ট কার্ড পৌছে যাবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২৭টি সদর উপজেলাগুলোয় এ বিতরণ কাজের উদ্বোধন করেন।
সফলভাবে যেসব জায়গায় স্মার্ট কার্ড বিতরণে কার্যক্রম নেয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, শরীয়তপুর সদর, বান্দরবান সদর, খাগড়াছড়ি সদর, কক্সবাজার সদর, রাঙামাটি সদর, পিরোজপুর সদর, পটুয়াখালী সদর, ঝালকাঠি সদর ও বরগুনা সদর, মেহেরপুর সদর, বাগেরহাট সদর ও নড়াইল সদর, হবিগঞ্জ সদর, সুনামগঞ্জ সদর, বগুড়া সদর, জয়পুরহাট সদর ও পাবনা সদর, নেত্রকোনা সদর, কুড়িগ্রাম সদর, লালমনিরহাট সদর, পঞ্চগড় সদর, গাইবান্ধা সদর, নীলফামারী সদর, দিনাজপুর সদর, ঠাকুরগাঁও সদর, নোয়াখালী সদর। ইসি সূত্র জানায়, রংপুর সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধা সদর, নীলফামারী সদর, দিনাজপুর সদর ও ঠাকুরগাঁও সদরে বিতরণ না করার প্রাথমিক প্রস্তাব ছিল। তবে কোনো জটিলতা হওয়ার শঙ্কা না থাকায় এ চারটি উপজেলা সদরেও বিতরণ শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ঢাকার দুই ভাগের সাথে কুড়িগ্রামের বিলুপ্ত ছিটমহলে শুরুর পর একই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিতরণ চলছে। গত বছর ২ অক্টোবর ঢাকায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু করে ইসি।
উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে ১০ কোটি ১৮ লাখের বেশি ভোটার রয়েছে। আগামী বছর একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে মৃতদের বাদ ও নতুনদের যোগ করে এ সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১০ কোটি ৪৬ লাখে।
জেড





