চলতি মাস থেকেই দেশের পোশাক কারখানায় শ্রমিক ছাটাই শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে বিজিএমইএর কিছুই করার নেই বলে জানালেন সংগঠনের সভাপতি রুবানা হক।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে পোশাক শ্রমিকদের জন্য করোনা টেস্ট ল্যাবের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। গত ৪ দশকে এতটা সংকট আর কখনও দেখেনি দেশের তৈরি পোশাক খাত।
কাগজে কলমে প্রতিশ্রুতি দিয়ে, বাস্তবে পাশে নেই ক্রেতারা। চাহিদা না থাকায়, কারখানা চলছে ৫৫ ভাগ সক্ষমতায়। সাম্প্রতিক হিসাবেই স্পষ্ট শঙ্কার সেই ছবি। পয়লা থেকে ১৯ শে মে, এ কদিনেই দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে প্রায় ৫৬ ভাগ। এপ্রিলে যা কমেছিল ৮৪ ভাগের মত।
বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ায় দেশের পোশাক কারখানাগুলো এখন ব্যবহার করতে পারছে তাদের সক্ষমতার মাত্র ৫৫ ভাগ। এমন অবস্থায় শতভাগ শ্রমিককে কাজে রাখার কোন সুযোগ নেই।
তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে ছাটাই হওয়া শ্রমিকরাই আগে কাজের সুযোগ পাবেন বলে জানান রুবানা হক। যদিও করোনার প্রভাবে সামনের দিনে হঠাত করেই তৈরি পোশাকের চাহিদা বাড়বে এমনটাও ভাবার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য তার। তারপরেও এ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি ২৩ বিলিয়ন ডলারের মত হবে বলে আশা রুবানা হকের।
তিনি জানান, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সামনের দিনে দেশের সব উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে তৈরি পোশাক বিক্রির জন্য একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম করা যায় কি না তা নিয়ে ভাবছে বিজিএমইএ।
এএস





