নিরাপত্তা দিন, কিন্তু জনগণ থেকে যেনো বিচ্ছিন্ন না হইআমরা রাজনীতি করি। জনগণ আমাদের মূলশক্তি। এই জনগণ থেকে যেনো বিচ্ছিন্ন না হয়ে যাই। এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেছেন।

বৃহস্পতিবার এসএসএফ’র ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দরবারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে এ দরবার আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের জন্য কাজ করাই আমাদের রাজনীতি। কিন্তু রাজনীতিতে ঝুঁকি রয়েছে। বার বার আমার ওপর আক্রমন হয়েছে। হত্যার চেষ্টা হয়েছে। এ অবস্থায় নিরাপত্তা জরুরি। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে জনগণ থেকে যেনো বিচ্ছিন্ন না হই। জনবিচ্ছিণ্ন হয়ে গেলে আমার বেঁচে থাকারও অর্থ নেই।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় এসএসএফ’র সকল সদস্যদের দক্ষতা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়নতা, আনুগত্যের প্রশংসা করেন।

বাহিনীর নারী সদস্যরাও যে পেশাদারিত্ব ও নৈপূণ্য বজায় রেখে কাজ করছেন সে কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ভবিষ্যতেও এই বাহিনীর সদস্যরা অতীতের ন্যায় প্রশ্নাতীত আনুগত্য ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এসএসএফ মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মোহাম্মদ আমান হাসান তার বক্তৃতায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে জনগণের কাছাকাছি রাখা এবং তার নিরাপত্তা বলয় নিশ্চিত করা এই দুইয়ের সমন্বয় একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এসএসএফ তা দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছে।

১৯৮৬ সালে গঠিত এলিট ফোর্স এসএসএফ দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং সরকার কর্তৃক ঘোষিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা দিয়ে আসছে। এছাড়াও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্বও এই বিশেষ বাহিনীর।

দরবারে অন্যদের মধ্যে তিন বাহিনী প্রধানগণ, পুলিশের মহাপরিদর্শক, আনসার বাহিনীর প্রধান, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এএইচ