প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে বাংলাদেশে হত্যার রাজনীতিকে বিএনপিই প্রথম বৈধতা দিয়েছিল।
বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকেলে গণভবনে আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়া জেলে রাজার হালে আছেন।
‘পৃথিবীর কোনো কারাগারে কেউ কাজের বুয়া পায় না। খালেদা জিয়ার সুবিধার কথা ভেবে আমরা তা করেছি। নিয়মিত সুবিধার বাইরেও সুবিধা ভোগ করছেন।’
খালেদা জিয়ার শরীরে ব্যথা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার ব্যথার সমস্যা পুরনো। আগেও তাকে মাঝে মধ্যে হুইল চেয়ারে বসতে হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর কোথাও শুনিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামির জন্য কাজের বুয়া থাকে। মানুষ এমনি কাজের বুয়া পায় না, আর খালেদা জিয়ার জন্য জেলে স্বেচ্ছায় একজন কারাবরণ করছেন, তার সেবা করার জন্য। এই বাড়তি সুবিধা পর্যন্ত তাকে দেয়া হচ্ছে। সরকারের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা থাকলে তিনি এই সুবিধা পেতেন না।’
শেখ হাসিনা বলেন, “এ দেশে ‘সন্ত্রাসের গডমাদার’ হচ্ছেন খালেদা জিয়া। বাংলাভাই সৃষ্টি থেকে শুরু করে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা, হরতাল-অবরোধ ডেকে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, এতিমের টাকা চুরি করা হেন কোনো অপকর্ম নেই যা তিনি করেননি।”
দেশে বাকস্বাধীনতা নেই বলে অভিযোগকারীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে মানুষ কথা বলার অবারিত সুযোগ পাচ্ছে। টকশোতে গিয়ে মিষ্টি-টক সব কথা বলে যাচ্ছে। তারপরও এ সরকারের আমলে কথা বলার অধিকার নেই! আসলে এ ধরনের পরচর্চা করা এটা তাদের অভ্যাস।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আগামী ‘৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত সমৃদ্ধ দেশ।
এছাড়া আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম যাতে ভালো থাকে এবং উন্নত জীবন পায় সে জন্য ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ ঘোষণা করেছি। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
















