পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ ঠেকাতে চট্টগ্রামে অবৈধ পেট্রোল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে জেলা প্রশাসন।
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ফিলিং স্টেশন মালিক ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন।
মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘শুধু বৈধ লাইসেন্সধারীদের কাছেই পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করা যাবে। এ আদেশের ব্যত্যয় হলে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
এ ছাড়া ফিলিং স্টেশনে সার্বক্ষণিক ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা চালু, মাত্রাতিরিক্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় ওই বৈঠকে।
বৈঠকে নিয়মিত রেজিস্ট্রেশন বইয়ে ক্রেতাদের পরিচয় লিখে রাখার নির্দেশনা দিয়ে মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘পেট্রোল ও অকটেন বিক্রির সময় কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশের কাছে সোপর্দ করবেন।’
চট্টগ্রামের প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব জায়গায় নিরাপত্তা দিতে পারবে না। কারণ তাদেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। যারা আজ পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে তাদের একদিন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করে বিচার করা হবে।
বৈঠকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবুল হোসেন, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মাহফুজুল হক, বাংলাদেশ পেট্রোল ডিজেলস এ্যাসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এহসানুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেআই





