পুলিশ মানেই কোন অসৎ কাজের সাথে জড়িত। এ কথাই অধিকাংশ জনগণ মনে করেন। কিন্তু সত্যিই কি তাই? না সত্যি না।

কারন পুলিশ বাহীনির মধ্যে কিছু সংখ্যক পুলিশ সদস্যর জন্য পুরো পুলিশ বাহীনিকে দোষারোপ করা হয়। এটা কিন্তু ঠিক না।

যার প্রমান রেখেছেন সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) ফিরোজ। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে আসা একটি বাস (এলাইক ট্রান্সপোর্ট ৪) বিজয় স্বরণী অতিক্রম করতে গিয়ে তাড়াহুড়া করে ভুল লেন ধরে চলছিলো এবং পাশাপাশি একটি ভিআইপি গাড়ি অতিক্রম করার সময় অল্পের জন্য দুর্ঘটনা এড়ায়। তারই প্রেক্ষিতে এস আই ফিরোজ এ চলন্ত বাসটিকে বেলা ১ টার দিকে আটক করে। আটককৃত বাসটির ড্রাইভারের কাছে তার লাইসেন্স দেখাতে বলে।

ড্রাইভার আমতা আমতা করে তার ড্রাইভার লাইসেন্স বের করে দেয়। পরে বাসটির হেল্পার চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ি এস আই ফিরোজকে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সততার গুণের কাছে এ অসৎ প্রবণতা হেরে যায়। সরাসরি ঘুষ নিতে অস্বীকার করে বসে এস আই ফিরোজ। যার কারনে এ বাসের নামে মামলা হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে যাত্রীদের মধ্যে থেকে রুবেল নামে এক যুবক বলে, আমরা মনে করেছি পুলিশকে কিছু সামান্য পরিমান টাকা দিলেই হয়তে ছেড়ে দিবে। কিন্তু তা না হয়ে বরং তার নামে মামলা করে দিলো এতো অবিশ্বাস্য ঘটনা।

তিনি বলেন, এরকম পুলিশ বাহীনির সদস্যরা যদি সততা ও নিষ্ঠার সাথে তাদের কর্তব্য পালন করেন তাহলে এ দেশ সত্যিই ডিজিটাল বাংলাদেশ হতে ২১ সাল পর্যন্ত বসে থাকতে হবে না। এর আগেই আমরা এ সোনার বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বলে দেখতে পারবো।

এসএইচ