বেনাপোলের রঘুনাথপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে ৪০ কেজি গাজাসহ দুই যুবক আটক হলে স্থানীয় দৈনিক নওয়াপাড়া সহ বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় গাজা ব্যবসায়ী নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাষ ক্ষেপেছেন।

গাজার চালান আটকে সহায়তাকারী(সোর্স) এবং পত্রিকায় যে সাংবাদিক লিখেছেন তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন নারায়ণ।

জানা যায়, নারায়ণ চন্দ্র ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে গাজা এনে যশোরসহ মনিরামপুর ও কেশবপুর এলাকায় বিক্রি করেন। বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে কয়েক মন করে গাজা এনে তার নারানপুর গ্রামের নিজ বাড়িসহ গোপনীয় স্থানে রেখে দেয়। পরে দিনভর যশোরের কেশবপুর ও মনিরাম থেকে লোকজন এসে নারায়ণের বাড়ি হতে শরীরের সাথে সেটিংসহ বিভিন্ন কায়দায় ৫০০গ্রাম থেকে শুরু করে এক কেজি, দুই কেজি ও উর্দ্ধ হারে গাজা কিনে নিয়ে যায়।

এসকল এলাকায় নারায়নের গাজা খুবই ভালো বলে জানেন গাজা খোরেরা। তাই নারায়নের মালের চাহিদা বেশি থাকে কেশবপুর-মনিরামপুর এলাকায়।

গোপন সূত্রে আরো জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নারায়নের বাড়িতে দেহ ব্যবসা চলছে যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে শুক্রবার বিকালে রঘুনাথপুর গ্রামের ইছাহক মোড়ল ও করিম মল্লিক জানান বেনাপোল মাছবাজারে অসংখ্য মানুষের মধ্যে নারায়ণ চন্দ্র রঘুনাথপুর গ্রামের মিত্তুন বিশ্বাসকে সাংবাদিকের সোর্স ভেবে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ মারধর করতে যায়। এ সময় বাজারের লোকজন নারায়ণের আক্রমণ রুখে দেয়।

কথা হয় মিত্তুন বিশ্বাষের সাথে। কান্না জড়িত কন্ঠে মিত্তুন বলেন আমি নাকি সাংবাদিকদের কাছে বলেছি এ গাজার মালিক নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাষ। শুক্রবার দুপুরে সে আমারে বাজারের মধ্যে পেয়ে খুব খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করেছে এবং মারধর করতে গেছে। আর বলেছে তার বিরুদ্ধে লেখা সাংবাদিকেরও হাত পা ভেঙ্গে দেবে নারায়ণ।

একটি সুত্র জানিয়েছে নারায়ণ চন্দ্র প্রশাসনের লোকদের মাসোয়ারা দিয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

এমআইএস