তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন অনেক বেশী। এ দেশের নারীরা অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসাবে বিশ্বে সমাদৃত হচ্ছে। বিশ্বে বর্তমানে নারীর ক্ষমতায়নের বাংলাদেশ অষ্টম স্থানে অবস্থান করছে। এ অবস্থান আরো উন্নীত করতে হলে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
আজ রবিবার সকালে আগামী ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেম(আইএফইএস) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এ কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী নারী, স্পিকার, সংসদ উপনেতা, বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য ও জনপ্রতিনিধি নারী। গত দুই দশকে নারীর ক্ষমতায়নে দেশে অনেক বেশি কাজ হয়েছে।বাংলাদেশের সবচেয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাত পোশাকশিল্প নারীদের কারণেই টিকে আছে।
তিনি বলেন, নারীদের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাই সর্বপ্রথম স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ৩৩ শতাংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত করেছিলেন।ফলে একেবারে ইউনিয়ন পর্যায়ে নারীদের ক্ষমতা প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়েছিল।
লিপিকা বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সভায় আরো অংশগ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের পক্ষ হতে সাবেক সংসদ সদস্য অপু উকিল, বিএনপির পক্ষ হতে অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন অসিম ও আহমেদ আজম খান, জাতীয় পার্টির প্রফেসর মাসুদা এম রশিদ ও রেজাউল ইসলাম ভূইয়া ও সুজনের বদিউল আলম মজুমদারসহ প্রমুখ।
এসটি





