তথ্যমতে, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা এলাকায় ১৯৬২ থেকে ১৯৬৮ সালে ৫৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে অতিরিক্ত ধানচাষ করার জন্য চারদিকে বাঁধ দিয়ে ‘ডিএনডি ইরিগেশন প্ল্যান্ট’ তৈরি করা হয়। পরে ধীরে ধীরে নগরায়নের ফলে এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিলে এই প্রকল্প পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহার করা হয়। ২০১৬ সালে ডিএনডি বাঁধের কাজ একনেকে পাস হলে ২০১৭ সালের ৮ ডিসেম্বর সেনাবাহিনীর সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরপর ২০১৮ সাল থেকে কাজ শুরু হয়। যেখানে দুটি পাম্প স্টেশন, তিনটি পাম্পিং প্ল্যান্ট স্থাপন করে পানি নিষ্কাশনের কাজ করা হচ্ছে।

প্রকল্প ব্যয় শুরুতে ৫৮২ কোটি টাকা হলেও পরবর্তীতে ২০২০ সালে তা বাড়িয়ে করা হয় এক হাজার ২৯৯ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বৈশ্বিক অর্থনীতির কারণে অর্থ ছাড় না পাওয়ায় আগামী বছরের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়া কথা আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী রমজান আলী প্রমাণিক বলেন, আগামী বছরের শুরুতেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে এবং জলাবদ্ধতাও দূর হবে। এরপর থেকে এসব এলাকার বাসিন্দারা পুরোপুরি সুফল পাবে।

এ সময় বাঁধ সংলগ্ন খালগুলো রক্ষায় সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এমবি