পাসপোর্ট বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রত্যাখান করেছেন বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান। তিনি টিআইবির প্রতিবেদনকে মনগড়া ও ভিত্তিহীন বলেও মন্তব্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
গত ২৯ জুন (মঙ্গলবার) ‘সেবাখাতে দুর্নীতি জাতীয় জরিপ-২০১৫’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি। সেখানে পাসপোর্ট বিভাগের দুর্নীতি বিষয়ে বলা হয়, সেবা খাতগুলোর মধ্যে পাসপোর্ট বিভাগ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত একটি খাত। এই খাতে ৭৭ শতাংশ দুর্নীতি হয়ে থাকে।
পাসপোর্ট বিভাগ নিয়ে টিআইবির জরিপ প্রতিবেদনকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মন্তব্য করে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, সরেজমিনে পাসপোর্ট অফিসে এসে রিপোর্ট করুন।
টিআইবির জরিপের সমালোচনা করে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, তারা তাদের গবেষণায় দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।
পাসপোর্টের জন্য তারা মাত্র ৪৮০ জনের সাক্ষাতকার নিয়েছেন। পক্ষান্তরে আমরা এ পর্যন্ত এক কোটি ৪৫ লখ পাসপোর্ট দিয়েছি। তাদের উচিত ছিল কমপক্ষে ১ শতাংশ অর্থাৎ এক লাখ ৪৫ হাজার মানুষের সাক্ষাতকার নেওয়া। অথচ তারা মাত্র .০০০০৩৩ শতাংশ মানুষের সাক্ষাতকার নিয়েছেন। যা যথেষ্ট নয়। তাদের এ স্যাম্পল রেঞ্জ অত্যন্ত নগণ্য।
এক প্রশ্নের জবাবে পাসপোর্ট বিভাগের মহাপরিচালক বলেন, হয়রানি কিছু হচ্ছে। তার মানে ৭৭ শতাংশ নয়। সেটি হয়ত ১/২ শতাংশ হবে।
পাসপোর্ট সেবাখাতে দালালের বিষয়টি বন্ধ করতে দালাল গ্রেফতার, হয়রানি কমাতে অনলাইন ফরম পূরণ, ৫টি ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার সুযোগসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
আগামীতে ছবি সত্যায়ন না করার পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্ট কার্ড হলে কার্ডধারীদের ভেরিফিকেশন না করা, ঢাকায় আরও দুটি অফিস স্থাপনসহ বিদ্যমান পাসপোর্ট কার্যালগুলোর ক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা এবং উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন মাসুদ রেজওয়ান।
ওএফ





