শুভেচ্ছা বিনিময় ও দুই দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে পরিচয়পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লালগালিচা সংবর্ধনার জন্য অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং।

অভিবাদন মঞ্চে দুই নেতাকে সশস্ত্র সালাম জানায় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল। এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মানে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, গ্রেট হলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বৈঠকে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক গুরুত্ব পাবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২১ জুন দুই দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়া যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল তার প্রথম মালয়েশিয়া সফর। মালয়েশিয়া সফর শেষে গত সোমবার রাতে তিনি চীনের দালিয়ান শহরে যান এবং সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেন। দুই দিনের কর্মসূচি শেষে বুধবার বিকেলে হাইস্পিড (বুলেট) ট্রেনে দালিয়ান থেকে বেইজিং পৌঁছান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। এর আগে ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফর করেছিলেন। সে সময়ও তিনি গ্রেট হলে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এমএম