যশোরের বেনাপোল বড় আঁচড়া গ্রামে সোনামনি (১৬) নামে এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (০৯ নভেম্বর) দুপুর ২টায় পোর্ট থানা পুলিশ কিশোরীর বাড়ি থেকে পোর্ট থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।  

নিহত কিশোরী বেনাপোল পোর্ট থানাধীন বড় আঁচড়া গ্রামে আব্দুল জব্বারের বাড়ির ভাড়াটিয়া ময়ন উদ্দিনের মেয়ে।

নিহতের বড় বোন মমতাজ জানান, তার বোন সোনামনি তার কাছে থেকে তার কোলের মেয়েকে দেখাশুনা করতো। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তার বোনকে খুজে পারছিলেন না। পরে তিনি জানতে পারেন পাশের বাড়ির শহিদের ছেলে ভরসা (২০), রফিকের ছেলে রাকিব (২১) ও সাগরের ছেলে সাব্বির (২২), তার বোনকে ফুসলিয়ে নিয়ে শহিদের বাড়িতে ধর্ষণ করে বলে তিনি জানতে পারে।

এঘটনা লোকমুখে শুনে সে তার বোনকে বকাবকি করে। এতে তার বোন মান-ইজ্জত ও লোক লজ্জায় ভয়ে নিজের ঘরের ভেতর গলায় ওরনা পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।

এদিকে, অভিযুক্ত তিন কিশোর ঘটনার পর থেকে পালাতক রয়েছে। তাদের বাড়িতে গিয়ে ঘরে তালা মারা অবস্থায় দেখা যায়।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওমি) মামুন খান জানান, কিশোরীর আত্মহত্যার খবর পেয়ে শনিবার ঘটনা স্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তর জন্য যশোর ২৫০ শষ্যা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। লোক মুখে ধর্ষণের কথা শুনেছি। তবে কি কারনে আত্মহত্যা করেছে তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

এদিকে, ধর্ষণকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় নিহতের পরিবার হুমকির মুখে সত্য বলতে ভয় পাচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। তবে প্রতিবেশীরা সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের দাবী করেছে।

শেখ নাছির/এমবি