গঙ্গাস্নানের মধ্য দিয়ে কুয়াকাটায় বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের শত বছরের রাস উৎসব। রাস উৎসবকে ঘিরে হাজার হাজার পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীর ভিড়ে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত মিলনমেলায় পরিণত হয়।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. গাউস গতরাত ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করেন।
হরতালকে উপেক্ষা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সমুদ্র সৈকতে বিকাল থেকে দলে দলে পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থী এসে ভিড় করতে শুরু করেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে পুণ্যলাভের আশায় শিশু, নারী, পুরুষ সবাই একসঙ্গে সমুদ্রে স্নান করতে নামেন। স্নান সেরে শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে রাধাকৃষ্ণের দর্শন শেষে আবার ফিরতে শুরু করেন পুণ্যার্থীরা। রাসমেলায় এবার অর্ধলক্ষাধিক লোক সমাগম হয়েছে বলে মেলা কমিটি জানায়।
তবে রাস উদযাপন কমিটির অব্যবস্থাপনা ও তিথির হিসাব ভুল করায় রাস উৎসব নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। রাস উদযাপন কমিটি শুক্রবার ভোর রাতে গঙ্গাস্নান ঘোষণা দিলেও আগত পুর্ণ্যাথীরা বলছেন বৃহস্পতিবার ভোর রাতে পুণ্যস্নান। পুণ্যার্থীরা বৃহস্পতিবার ভোরে স্নান সেরে অনেকেই গন্তব্যে চলে যান।
এ নিয়ে চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েন আগত পুণ্যার্থীরা। রাসমেলাকেন্দ্রিক অনেক ব্যবসায়ী আয়োজক কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে রাসমেলায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
অপরদিকে আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন বিড়ম্বনায়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এবার রাস উৎসবে বেচাকেনা খুবই কম হয়েছে। হরতালের কারণে অভিজাত আবাসিক হোটেলগুলোর অনেকেরই বুকিং বাতিল হয়ে গেছে।
রাস উৎযাপন কমিটির সভাপতি বিপুল হাওলাদার জানান, শুক্রবার পর্যন্ত রাস উৎসবের আয়োজন থাকবে। রাস উৎসবে রাখাইনরা ফানুস উৎসবসহ নানা আয়োজন করে থাকে।
জেআই





