অভিযানের শুরুটা হয়েছিল পেঁয়াজ থেকে। এরপর থেকেই একের পর এক চলছে অভিযান। কাঁচা বাজার থেকে শুরু করে চাল, সবজি, মুদির দোকানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন। পাশাপাশি জিনিসপত্রের গুণগত মান যাচাই, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বাজারজাতকরণ ও অবৈধ মজুদের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে অভিযানকালে।
সম্প্রতি পেঁয়াজের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। তবে পেঁয়াজের ঝাঁঝ কিছুটা কমলেও কমছে না সবজির দাম। তবে কেউ যেন ইচ্ছাকৃত সবজির দাম বাড়িয়ে বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার বিরামপুরহাট ও নতুনবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার মনিটরিংয়ের সময় ব্যবসায়ীদেরকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান।
এদিকে মঙ্গলবার লবনের দাম বেড়ে যাবে এমন গুজবে দুপুরের পরপরই শহরের এবং বিভিন্ন গ্রামের বাজারগুলোতে ও মুদি দোকানে সাধারণ মানুষের লবণ কেনার হিড়িক পড়ে যায় এবং এই গুজবকে কাজে লাগিয়ে স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ী লবণের দাম বাড়িয়ে দেয়। এসময় গুজব ঠেকাতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিক মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে শহরের পুরাতন বাজার, হাবিবপুর বাজার, উপজেলার মুকুন্দপুর বাজার, শিবপুর বাজার, কাটলাহাট বাজার, কেটরাহাট বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অন্যদিকে গুজবে কান না দিতে এবং এই ব্যাপারে সচেতন করতে পৌর প্রশাসন ও বিরামপুর থানা কর্তৃক পুরো শহরে মাইকিং করা হয়। চলমান অভিযানের অংশ হিসাবে বুধবার সকালেও শহরের কয়েকটি বাজার মনিটরিং করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুর রহমান জানান, বাজারে লবণের কোন ঘাটতি নেই। যারা গুজবের আশ্রয় নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে সেই সব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং কাঁচা বাজারের মূল্য নিয়ন্ত্রণে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মোঃ সামিউল আলম,দিনাজপুর/ মামা





