‘আপনার ক্যান্সার ধরা পড়েছে’ এমন দুঃসংবাদ শোনার জন্য কেউ কখনো অপেক্ষা করে না। তবে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে হয়তো ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা অর্ধেক হতে পারে। তাই চলুন জেনে নেই কীভাবে ক্যান্সারকে দূরে রাখা যাবে।
[b]ভাগ্য নিজের হাতেই[/b]
ক্যান্সার রোগীর প্রতি পাঁচজনের একজনই হচ্ছে ধূমপায়ী। বিষাক্ত তামাকের ধোঁয়া যে শুধু ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্যই দায়ী তা নয়, ধূমপান অন্যান্য ক্যান্সারের হওয়ারও একটি কারণ। তবে ধূমপান ক্যান্সার হওয়ার একমাত্র কারণ নয়।
[b]অতিরিক্ত ওজন মৃত্যুর কারণও হতে পারে[/b]
ক্যান্সার হওয়ার নানা কারণের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অতিরিক্ত ওজন এবং ইনসুলিনের মাত্রা বেশি থাকা। ইনসুলিনের মাত্রা বেশি হলে তা কিডনি, গলব্লাডার, খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মোটা মহিলাদের শরীরের মেদের কারণে খুব সহজে জরায়ু এবং স্তন ক্যানসার হতে পারে।
[b]আলসেমি নয়, সোফা থেকে উঠে পড়ুন![/b]
যারা সারাক্ষণ শুয়ে বসে থাকেন অর্থাৎ হাঁটা-চলা কম করেন, তাদের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে ব্যায়াম বা খেলাধুলা টিউমার হওয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে। শারীরিক কার্যকলাপ ইনসুলিনের মাত্রা কমায় এবং পাশাপাশি মোটা হওয়াও রোধ করে। শরীরচর্চা বলতে যে সব সময় ফিটনেস সেন্টারে যাওয়া বোঝায় তা কিন্তু নয়। যে কোনো ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি বা সাইকেল চালানোও হতে পারে৷
[b]অ্যালকোহলকে না করুন[/b]
অ্যালকোহল বা মাদককে ক্যান্সার উত্তেজক হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। বিশেষ করে অ্যালকোহল পানে মুখের ভেতর, গলা এবং পাকস্থলীর নালীতে টিউমার ছড়ানোকে প্রভাবিত করে। তবে সবচেয়ে বিপজ্জনক হচ্ছে ধূমপান এবং মদ্যপান যদি একসাথে করা হয়। এই দুটো একসাথে হয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় একশ’ ভাগ।
[b]পশুর মাংস খাওয়া এড়িয়ে চলা ভালো[/b]
রেড-মিট বা গরু বা ভেড়ার মতো প্রাণীর মাংস ক্যান্সার হতে সহায়তা করে। তবে এর আসল কারণ ঠিক কী তা এখনও খুঁজে বের করা যায়নি। দীর্ঘমেয়াদী গবেষণায় এটুকু জানা গেছে যে, রেড-মিটের সাথে ক্যানসারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। অন্যদিকে মাছ খেলে হয় ঠিক তার উল্টোটা, অর্থাৎ মাছ খেলে ক্যান্সার হওয়া থেকে দূরে থাকা যায়।
[b]ফাস্টফুডকে না বলুন![/b]
ফাস্টফুড বা রেডিমেড খাবার সব সময়ই যে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সে কথা কম বেশি সবারই জানা। অন্যদিকে বেশি বেশি সবজি এবং ফলমূল ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে। দীর্ঘ গবেষণায় অবশ্য গবেষকরা দেখেছেন যে স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে মাত্র ১০ শতাংশ ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
[b]বেশি রোদ, বেশি ক্ষতি[/b]
সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি মানুষের ত্বকের অনেক পরিবর্তন করে। তবে সানক্রিম সূর্যের বিকিরণ থেকে ত্বককে রক্ষা করে ঠিকই, তবে তারও সময়সীমা রয়েছে। ত্বক যখন পুড়ে যায়, ধরে নিতে হবে যে ত্বকে অনেক বেশি সূর্যের কিরণ লেগে গেছে৷
[b]আধুনিক ওষুধ থেকে ক্যান্সার[/b]
এক্স-রে রশ্মি জেনোটাইপের ক্ষতির কারণ, তবে সাধারণ এক্স-রেতে তেমন ক্ষতি হয় না। সে রকম প্রয়োজন না হলে কম্পিউটার-টোমোগ্রাফি না করাই ভালো। আবার অন্যদিকে এমআরআই কিন্তু মোটেই শরীরে জন্য ক্ষতিকারক নয়। ভালো খবর যে, প্লেন ভ্রমণ থেকে ক্যান্সার হওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকে না।
[b]ইনফেকশনের মাধ্যমে ক্যান্সার[/b]
হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাস লিভার কোষের ক্ষতি করতে পারে। তবে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে মুক্ত রাখতে টিকা বা অ্যান্টিবায়োটিকও নেয়া যেতে পারে।
[b]ঢাকা, এ এম, ১৯ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এফএ[/b]
নিয়ম মেনে চলুন, ক্যান্সারকে দূরে রাখুন
‘আপনার ক্যান্সার ধরা পড়েছে’ এমন দুঃসংবাদ শোনার জন্য কেউ কখনো অপেক্ষা করে না। তবে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে হয়তো ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা অর্ধেক হতে পারে। তাই চলুন জেনে নেই কীভাবে ক্যান্সারকে দূরে রাখা যাবে
জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ৭০০ শয্যায় উন্নীত
ঢাকার জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা থেকে ৭০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বর্ধিত ২০০ শয্যায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালুরও অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।
১ লাখ ৬৭ হাজার আক্রান্ত ক্যান্সারে বছরে ঝরছে ১ লাখ ১৬ হাজার প্রাণ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন বাংলাদেশে প্রতি বছর আনুমানিক ১ লাখ ৬৭ হাজার ২৫৬ জন নতুন ক্যান্সার রোগী শনাক্ত হন। আর বছরে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৯৮ জন ক্যান্সারে মারা যান। বর্তমানে আনুমানিক ৩ লাখ ১৬ হাজার ৪১৭ জন ক্যান্সার রোগী জীবিত অথবা চিকিৎসাধীন আছেন।
ওয়াসার পানিতে ক্যান্সারের বিষ
‘পানির অপর নাম জীবন’—এই প্রবাদটি মূলত পানির অপরিহার্য গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কারণ পানি ছাড়া কোনো জীব (উদ্ভিদ বা প্রাণী) বাঁচতে পারে না। মানবদেহের প্রায় ৬০-৭০% পানি দিয়ে গঠিত এবং শরীরের সব জৈবিক ও বিপাকীয় কার্যকলাপে পানির প্রয়োজন হয়। পানি শুধু জীবনধারণের জন্যই নয়, বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য। আর সেই পানিতে যদি থাকে বিষ!
কেন কমবয়সিরা কোলন ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন?
ক্যান্সার এখন আর শুধু বয়স্কদের রোগ নয়। সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সিদের মধ্যে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এতদিন অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসকে এর প্রধান কারণ মনে করা হলেও, বিজ্ঞানীরা এখন বৃহদন্ত্রের গঠনগত পরিবর্তন এবং জিনের ভূমিকাকে বেশি দায়ী করছেন।
ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই যে ৭ খাবার
ক্যান্সার মূলত এমন একটি রোগ যেখানে অস্বাভাবিক কোষ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কারণ। স্তন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং ব্লাড ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রাণঘাতী ধরনের মধ্যে রয়েছে। কিছু খাবার প্রাকৃতিক ক্যান্সার-বিরোধী বৈশিষ্ট্যে ভরপুর যা ক্যান্সার দূরে রাখতে কাজ করে-















