প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের ১৭১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থানে রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিশ্ব ঝুঁকি সূচকে (ওয়ার্ল্ড রিস্ক ইনডেক্স) এ তথ্য জানা গেছে।
জাতিসংঘের ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান সিকিউরিটি (ইউএনইউ-ইএইচএস) এবং বান্দনিস এনটুইকলাং হিলফট বৃহস্পতিবার ওয়ার্ল্ড রিস্ক রিপোর্ট-২০১৬ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
ঝুঁকি সূচক এরই একটি অংশ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়, খরা, ভূমিকম্প, বন্যা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি।
সূচক অনুযায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর শীর্ষে রয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু। এর পরের দেশগুলো হচ্ছে টঙ্গো, ফিলিপাইন, গুয়াতেমালা ও বাংলাদেশ। সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো হচ্ছে কাতার, মাল্টা, সৌদি আরব, বার্বাডোজ ও গ্রানাডা।
বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারত ৭৭ এবং পাকিস্তানের অবস্থান ৭২তম। ঝুঁকিপূর্ণ শীর্ষ ১৫টি দেশের ১০টিই হচ্ছে আফ্রিকা মহাদেশের। ২০১১ সাল থেকে বিশ্ব ঝুঁকি সূচক প্রকাশিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জনগণের নিজেদের রক্ষার সক্ষমতা যখন গুঁড়িয়ে যায় তখনই কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিপর্যয়ে রূপ নেয়। দুর্বল অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থার দেশগুলোতে এ ঘটনা বেশি দেখা যায়। প্রতিবেদনে অস্ট্রেলিয়ার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, দেশটি খরা, ভূমিকম্প ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো ঝুঁকির মধ্যে
থাকা সত্ত্বেও ঝুঁকি সূচকে ১২১তম অবস্থানে রয়েছে। কারণ যথেষ্ট বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশটি এসব ঝুঁকি প্রশমনে সফল হয়েছে। জাপানকে (১৭তম) প্রতিনিয়ত ভূমিকম্প ও বন্যার মতো দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হলেও উন্নত ব্যবস্থাপনার কারণে দেশটি কম ঝুঁকিপূর্ণ। আর কম দুর্যোগপ্রবণ হয়েও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছে লাইবেরিয়া (৫৬তম), জাম্বিয়া (৬৬তম) ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র (৭১তম)।
এমবিএইচ





