বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, বিরোধী দলকে ঘায়েল করতে ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ দলীয় ক্যাডারদের হাতে সাড়ে ৭ হাজার আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়েছে সরকার।
শুক্রবার বিকালে নোয়াখালী পৌর হলে ২০-দলীয় জোটের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
হান্নান শাহ দাবি করেন, এসব অস্ত্র দিয়ে এরই মধ্যে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এ অস্ত্র উদ্ধার না হলে দেশে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।
হান্নান শাহ বলেন, সরকারের পুলিশ বাহিনীও বলছে, বিএনপির নেতা-কর্মীদের পাওয়া মাত্র গুলি করা হবে। কিন্তু বিএনপি বা ২০-দলীয় জোটের কর্মীরা অস্ত্রকে ভয় পায় না।
বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, আন্দোলনকে ভয় করার কারণে সরকার ২০-দলীয় জোটের বিশিষ্ট নেতা-কর্মীদের হত্যা করছে, লাশ গুম করছে। যতই খুন-গুম করা হোক না কেন, বিএনপি এ বছরের মধ্যেই কঠোর আন্দোলনের ডাক দেবে। সেই সঙ্গে সরকারেরও পতন ঘটানো হবে।
বিএনপির নেতা হান্নান শাহ আরও বলেন, মাঝে মাঝে শোনা যায়, আওয়ামী লীগ নাকি ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে। ২০৪১ সাল নয়, ২০১৪ সালেই আওয়ামী লীগের পতন করা হবে। এ সরকারকে ঢাকা থেকে পতন করার দরকার নেই, জেলা থেকেই আন্দোলন করে পতন সম্ভব। তিনি বলেন, আন্দোলনের ডাক নোয়াখালীর নেতৃবৃন্দ থেকেই শুরু হবে। কারণ পুরো নোয়াখালীই বিএনপির ঘাঁটি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহজাহান। বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম হায়দার, কেন্দ্রীয় জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুর রব ও জেলার ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন, খেলাফত আন্দোলনের জেলা সহসভাপতি তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





