দীর্ঘদিন ধরে মিরপুরের মেট্রোরেল প্রকল্পসহ আশপাশের এলাকায় ছোট-বড় সড়কের উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি চলায় ধুলাদূষণে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে সর্বসাধারণ এবং শীতে বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্ক নাগরিকরা।
সরজমিনে মিরপুর গিয়ে দেখা গেছে, মিরপুরের সারে এগারো, পল্লবী, ইস্টার্ন হাউজিং এর রাস্তাগুলো ধুলাদূষণে বেসামাল অবস্থা। গত এক দশক যাবৎ উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায়। চরম দুর্ভোগেই কাটছে এইসব এলাকার বাসিন্দাদের নগর জীবন
সারে এগারো থেকে ইস্টান হাউজিং পর্যন্ত দুই পাশের দোকানপাট আর হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো ধুলায় ঢাকা পড়েছে।
গতকাল পল্লবির দিকে যাত্রাপথে এক প্রাইভেট কার চালক জানালেন, ‘কালো রঙের গাড়ি এখানে রাখলে ধুলায় ধূসর রং ধারণ করে। ধুলার কারণে এখানকার চায়ের দোকান আর খাবারের হোটেলে মানুষ খেতে পারে না।
পল্লবীর এস্টান হাউজিং এর বাসিন্দা রিফাত আহমদের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গত আট বছর যাবৎ্ ইস্টান হাউজিং বসবাস করছি। এই দীর্ঘ সময়ে দৃশ্যত রাস্তার কোন উন্নায়ন দেখিনি। রাস্তায় ইট-সুরকি ধুলাবালু থাকায় চলাচলে চরম বেগ পেতে হয়।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীতে শ্বাসকষ্ট, যক্ষ্মা, হাঁপানি, চোখের সমস্যা, ব্রঙ্কাইটিস, সর্দি, কাশি, হাঁচিসহ ফুসফুসে ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যাই বেশি। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে ধুলার দূষণ।
এ কারণেই নানা সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানীবাসী। ধুলার দূষণের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাজধানীতে বসবাসরত শিশু ও বয়স্ক নাগরিকেরা।
মাহফুজ





