নওগাঁর রাণীনগরে স্কুলের নৈশ্য প্রহরী হত্যা ঘটনায় ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত হত্যা কান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। ফলে কারা এটা করেছে কেনই বা করেছে সব কিছুই রয়েছে অন্ধকারে।
জানা গেছে, রাণীনগর উপজেলার ত্রিমোহনী উচ্চ বিদ্যালয়ে মীর হোসেন (৪৮) প্রায় ২০ বছর ধরে নৈশ্য প্রহরী পদে কর্মরত ছিলেন। প্রতিদিন নিজ বাড়ী উপজেলার মধ্য রাজাপুর থেকে স্কুলে যেতেন তিনি। সেদিন বুধবার ১ জুন, দুপুরে খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম করে স্ত্রী বিলকিস কে বলেছিলেন, তিনি নওগাঁ যাবেন।
সেখানে কাজ শেষ করে রাতে স্কুলে থাকবেন এবং সকালে বাসায় আসবেন। কিন্তু ওই রাতেই দূর্বৃত্তরা তাকে স্কুলে এলোপাথারি ভাবে মারপিট করে রক্তাক্ত যখম অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। ২ জুন বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।
নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ জুন শুক্রবার রাতে মারা যান তিনি। এঘটনায় মীর হোসেনের স্ত্রী বিলকিস বিবি বাদী হয়ে ১০/১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে রাণীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ বেলাল হোসেন নামের একজন কে গ্রেফতার করে।
মামলার বাদী বিলকিস বিবি জানান, প্রায় ১০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলও এখন পর্যন্ত পুলিশ এর কোন কিনারা করতে পারেনি। জানিনা আমার স্বামী হত্যার সঠিক বিচার পাবো কি না।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই শফিকুর রহমান শফি জানান, গ্রেফতার বেলালকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে যে টুকু তথ্য পাওয়া গেছে তার প্রতি খেয়াল রাখা হচ্ছে। সুদের টাকা লেন-দেন কে কেন্দ্র করে হত্যা কান্ডটি সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন তিনি। খুব দ্রæত হত্যা কান্ডের রহস্য উদঘাটিত হবে বলে আসা করছেন এই কর্মকর্তা।
এমআর





