চট্টগ্রামে গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র-গ্রেনেডসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি’র পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে।
আসামিদের আজ দুপুরে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) গভীর রাতে নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) আলতাফ হোসেন বাদি হয়ে মামলা তিনটি দায়ের করেছেন।
এর মধ্যে অস্ত্র আইনের মামলায় জেএমবি’র চারজনকে আসামি করা হয়েছে। এরা হল, জেএমবি’র চট্টগ্রামের সেকেন্ড ইন কমান্ড বুলবুল আহমেদ ওরফে ফুয়াদ, সদস্য মো.সুজন ওরফে বাবু, মাহবুব এবং শাহজাহান কাজল। চারজনই বর্তমানে গ্রেপ্তার আছে।
এছাড়া সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া অপর দু’টি মামলায় গ্রেপ্তার চারজন ছাড়াও ফারদিন এবং গিয়াস নামে পলাতক দু’জনকে আসামি করা হয়েছে।
আটক চারজনের স্বীকারোক্তিতে ফারদিন ও গিয়াসের নাম আসার পর তাদের মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
কর্ণফুলী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং সন্ত্রাস দমন আইনের ধারায় তিনটি পৃথক মামলা হয়েছে। আসামিদের দুপুরে আদালতে পাঠানো হবে।
সোমবার (৫ আগস্ট) নগরীর কর্ণফুলী থানার খোয়াজনগর এলাকায় জেএমবি’র একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে আটটি হ্যান্ডগ্রেনেড ও বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় জেএমবি’র সামরিক প্রধান জাবেদসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়।
আটক পাঁচজনের মধ্যে জাবেদ ৬ আগস্ট ভোরে নগর গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে আরেকটি অভিযানে গিয়ে গ্রেনেড বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে।
এমকে





