নতুন বছরের প্রথম মাসে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে ৮ জেলায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১১ জনসহ ৩৬ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জন আওয়ামী লীগ, ৩ জন বিএনপি, ৫ জন জামায়াত-শিবির সদস্য রয়েছেন।
৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে এ অঞ্চলে অপরাধমূলক ঘটনা বাড়তে শুরু করে। তবে রাজনৈতিক নেতাকর্মী নিহতের ঘটনার পর অধিকাংশেরই পরিবারের সদস্যরা আইনশৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন। এ অঞ্চলে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি বেড়েছে সামাজিক অপরাধও। এসব ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাও বেড়েছে।
৩ জানুয়ারি রাতে খুলনার ডুমুরিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, ১২ জানুয়ারি মেহেরপুরে জামায়াতের জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ১৪ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় জামায়াতের রোকন আনওয়ারুল ইসলাম, ১৫ জানুয়ারি যশোরে যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শিপন, ১৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় শিবির কর্মী হানিফ ছোটান, ঝিনাইদহে দলীয় সংঘর্ষ চলার সময় গুলিতে আওয়ামী সমর্থক আরিফ হোসাইন ও মেহেরপুরে বিএনপি সমর্থক আবু বকর, ২৬ জানুয়ারি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা শিবির সম্পাদক আবুল কালাম ও তার সহযোগী শিবির কর্মী মারুফ হাসান ছোট, ২৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরা তালা উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ইসলামকাঠি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আজহারুল ইসলাম, ২৮ জানুয়ারি যশোরের অভয়নগর উপজেলার ঝিয়েডাঙ্গায় বিএনপি কর্মী রবিউল ইসলাম রবি নিহত হয়।
নিহতদের অধিকাংশ নেতাকর্মীই আইনশৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
জানুয়ারি মাসে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে খুলনায় ৭টি, কুষ্টিয়ায় ৩টি, যশোরে ৭টি, ঝিনাইদহে ৩টি, চুয়াডাঙ্গায় ২টি, মেহেরপুরে ২টি, সাতক্ষীরায় ৭টি ও বাগেরহাটে ৫টি। এ সময়ের মধ্যে ২টি লাশ নদী ও পুকুর থেকে উদ্ধার করা হেেছ। এর মধ্যে একটি ছিল মহিলার লাশ। যশোরের অভয়নগরের চাপাতলা মালোপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর হামলা ও বাড়িঘরে ভাংচুর করা হয়। মনিরামপুরেও হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের ওপর বর্বরোচিত ঘৃণিত হামলার ঘটনা ঘটে। মাগুরায় এক শিক্ষকের বাড়িতে বোমা হামলা চালানো।
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় চরমপন্থীরা ৪ ব্যাংক কর্মকর্তা ও এক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে চাঁদা দাবি করে। এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে চরমপন্থী আতংক চরমে রয়েছে। চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশের ঘটনা প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা নিয়েও পুলিশের অর্থ-বাণিজ্যের ঘটনায় এলাকার জনমনে আতংক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
[b]ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) //ইএইচ[/b]
বছরের প্রথম মাসেই খুলনায় ৩৬ হত্যা
নতুন বছরের প্রথম মাসে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে ৮ জেলায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১১ জনসহ ৩৬ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জন আওয়ামী লীগ, ৩ জন বিএনপি, ৫ জন জামায়াত-শিবির সদস্য রয়েছেন।
খুলনায় ১১ দলের লংমার্চ বহর লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছোটাছুটি
খুলনার ফুলবাড়ীগেট এলাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের গাড়িবহর লক্ষ্য করে চার-পাঁচটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গাড়িবহরের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও লংমার্চকে স্বাগত জানাতে জড়ো হওয়া নারী-পুরুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি করেন।
১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা লংমার্চের উদ্বোধন
রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শুরু হয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টায় শুরু হওয়া এ সমাবেশে জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নিয়েছে। সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দিচ্ছেন।
খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
খুলনার দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে পৌঁছান তিনি।
বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ, মোংলা বন্দরের জেটি এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার দুপুরে বিএনপির মিডিয়া সেল এ তথ্য জানিয়েছে।
সাত দফা দাবিতে ৩১ অক্টোবর ১১ দলের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ
সাত দফা দাবি আদায়ে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য। এ কর্মসূচিতে প্রায় এক হাজার গাড়ির বহর অংশ নেবে। লংমার্চ শেষে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মাঠে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
















