যাত্রাবাড়িতে জনসভা করতে না দেয়ার প্রতিবাদে শনিবার বিকালে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে ঢাকা মহানগর বিএনপি। এর আগে শুক্রবার বিএনপি এই কর্মসূচি ঘোষণা করে।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, নারায়নগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘খুন-গুমের’ প্রতিবাদে বিএনপি যাত্রবাড়ীতে এই জনসভা করতে চেয়েছিল। কিন্তু প্রসাসন তাদেরকে এ কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেয়নি।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ডেমরা-যাত্রাবাড়ী-শ্যামপুর-কদমতলী থানা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে নারায়নগঞ্জ সড়কের খন্দকার রোড হতে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, মিছিলটি ধোলাইপাড় আসা মাত্র পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া দিয়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসময় পুলিশ মিছিলকারীদের ধাওয়া করলে অন্তত ৬ নেতাকর্মী আহত হয়।
ওই মিছিলে বিএনপি নেতা নবীউল্লাহ নবী, মীর হোসেন মীরু, আ.ন.ম সাইফুল ইসলাম, মজিবুর রহমান খান প্রমুখ নেতৃত্ব দেন।
এদিকে বিএনপি নেতা আতিকুল ইসলাম মতিন ও ওসমান গনি শাজাহানের নেতৃত্বে সাত মসজিদ রোড আল্লা করিম মসজিদের সামনে থেকে কাটাসুর পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেছে মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি।
শেরেবাংলা নগর থানা বিএনপি আগারগাঁও লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের সামনে থেকে মিছিল বের করে তালতলা বাসস্ট্যান্ডের সামনে এক সংক্ষিপ্ত পথ সভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করে।
এছাড়াও ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, কদমতলী, মোহাম্মদপুর, শেরেবাংলা নগর, আদাবর, তেজগাঁও, বাড্ডা, দারুস সালাম, মিরপুর, পল্লবী থানা, সূত্রাপুর, শাহবাগ, বংশাল কোতয়ালী, পল্টন, রমনা, ধানমন্ডি ও খিলগাঁও থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজ নিজ এলকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বলে জানা গেছে।
[b]ঢাকা, ১৭ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর[/b]
রাজধানীর থানায় থানায় বিএনপির বিক্ষোভ
যাত্রাবাড়িতে জনসভা করতে না দেয়ার প্রতিবাদে শনিবার বিকালে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে ঢাকা মহানগর বিএনপি। এর আগে শুক্রবার বিএনপি এই কর্মসূচি ঘোষণা করে
উপনির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি, পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং প্রধান নির্বাচনি এজেন্টদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ তুলেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। এসব অভিযোগে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে শনিবার বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জোটটি।
গণমাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে চেক প্রজাতন্ত্রে ব্যাপক বিক্ষোভ
চেক প্রজাতন্ত্রে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত গণমাধ্যমের অর্থায়নব্যবস্থা পরিবর্তনের সরকারি পরিকল্পনার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। তাদের অভিযোগ, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা করছে সরকার।
বিক্ষোভ মোকাবিলায় ফ্রান্সজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন
ফ্রান্সে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতা মোকাবিলায় দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকার। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিক্ষোভকারীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, অশ্বারোহী ইউনিট, হেলিকপ্টার, ড্রোন, সাঁজোয়া যান ও জলকামান প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ফ্রান্স ও ইতালিতে বিক্ষোভে ভাঙচুর করলে দায় নিতে হবে অভিভাবকদের
ফ্রান্স ও ইতালিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির সংকট এবং সরকারি ব্যয় কমানোর পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিক্ষোভে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। এতে জড়িত তরুণদের অভিভাবকদের আর্থিক দায়বদ্ধতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশের সরকার। ইতালিতে এ বিষয়ে নতুন পদক্ষেপ অনুমোদন করা হয়েছে। ফ্রান্সেও একই ধরনের একটি খসড়া আইন নিয়ে আলোচনা হবে ২৭ অক্টোবর।
ফ্রান্সে বিক্ষোভ দমনে সেনাবাহিনী মোতায়েন
ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভ ও সহিংসতার আশঙ্কায় পুলিশি নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী শনিবারের বিক্ষোভকে সামনে রেখে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ প্রস্তুতি। গত সপ্তাহান্তে সহিংসতা ও লুটপাট ঠেকাতে ব্যর্থতার কথাও স্বীকার করেছে সরকার।
















