বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে, নিজেদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে দল গুছিয়ে সরকার পতনে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে খালেদা জিয়া পঞ্চগড়, নীলফামারী ও সৈয়দপুরের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আহ্বান জানান বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এখন দুঃসময় চললেও তাকে বেশি দিন চলতে দেয়া যাবে না। তাই নিজেদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় যে কোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার দেশ পরিচালনায় জনস্বার্থের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করে গুম, খুন ও অপহরণের ওপর নির্ভর করার কারণেই সমাজে এখন ভয়ঙ্কর নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী দুঃশাসনের ফলে মানুষের জান মালের নিরাপত্তা চরম হুমকির সম্মুক্ষীণ। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
সূত্র জানায় সভায় পঞ্চগড়ে এ হাসানকে প্রধান করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট ও সৈয়দপুরে অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারকে প্রধান করে ২২ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। যাদেরকে আগামী এক মাসের মধ্যে জেলার প্রতিটি থানা কমিটি ও অঙ্গ সংগঠনের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে নীলফামারীতে আহ্বায়ক কমিটি থাকায় তাদের সময় আরো দেড় মাস বাড়ানো হয়েছে।এছাড়া তিস্তার পানির দূরবস্থার জন্য দলের পক্ষে শিগগিরই লংমার্চ করার পাশাপাশি সেখানে একটি জনসমাবেশ করা হবে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে। তবে কবে লংমার্চ করা হবে তার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়নি।
এ সময় পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সভাপতি মোজাহার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. নাজমুল হক, নীলফামারী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিসুল আরেফিন চৌধুরী, সদস্য সচিব শামসুজ্জামান এবং সাংগঠনিক জেলা সৈয়দপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেনসহ প্রায় দেড়শতাধিক তৃণমূল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু, মো. শাহজাহান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, বরকত উল্লাহ বুলু উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ১১ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ[/b]
তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি খালেদার আহ্বান
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে, নিজেদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে দল গুছিয়ে সরকার পতনে আন্দোলনের প্রস্তুতি
দলীয় প্রতীক হারানোর শঙ্কায় মমতার তৃণমূল
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ভাঙনের মুখে পড়া তৃণমূল কংগ্রেস এবার দলীয় প্রতীক ‘জোড়া ঘাসফুল’ হারানোর শঙ্কায় পড়েছে। দল থেকে বেরিয়ে যাওয়া বিদ্রোহী নেতারা নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করার পর প্রতীকটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরেই প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল এনেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দল। মূলত বিধানসভায় নিজেদের পরিষদীয় দলকে আরও শক্তিশালী করতে এই বদল আনে তৃণমূল কংগ্রেস।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিপর্যয়ের ৫ কারণ
পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। ভোটগণনায় ক্ষমতার পালাবদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হলেও তৃণমূল কংগ্রেস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেনি। বরং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় বিজেপি অন্তত একশ’ টি আসন ‘লুট করে নিয়েছে’। তারা যুক্তি দিচ্ছেন, লাখ লাখ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন তা কখনোই সুষ্ঠু ও অবাধ বলে মানা যায় না।
ভারতের বিধানসভা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৮২ আসনে, তৃণমূল ১০৯
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী বিজেপি এগিয়ে আছে। বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে গণনায় দেখা যায়, ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপি ১৮২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
ভারতের নির্বাচন প্রাপ্ত ফলাফল বিজেপি ১৫০ আসন, তৃণমূল ১২৫
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বিজেপি এগিয়ে আছে ১৫০ আসনে, তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ১২৫টিতে। কংগ্রেস দল এগিয়ে চার আসনে, অন্যরা একটি আসনে।
















