তিস্তার ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জাতীয় ঐক্যে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'আমরা কোনো দেশের আধিপত্য মেনে নেব না। আমাদের এ সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এ সরকার অবৈধ সরকার। তারা জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি।’
বুধবার সকালে তিস্তা অভিমুখে লংমার্চ শুরুর আগে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের জনগণ ভারতের আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের এই আন্দোলন সরকার ও ভারতের বিরুদ্ধে নয় এবং ভারতের জনগণের বিরুদ্ধেও নয়, আমাদের এই আন্দোলন বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে।
তিনি আরো বলেন, ‘এটি আমাদের অধিকার আদায়ের যাত্রা, ন্যায্য হিস্যা বুঝে পাওয়ার অভিযাত্রা। আমরা পানির ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছি না। বলা হচ্ছে দ্রুত তিস্তা চুক্তি করা হবে। কিন্তু তা করা হচ্ছে না। ৫৪টি নদীর ওপর ভারত বাঁধ দিয়ে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। নদী আমাদের জীবন কিন্তু একতরফাভাবে ভারত পানি প্রত্যাহার করে নেয়ায় এখানকার জীব-বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। কৃষক জেলেরা তাদের কাঙ্খিত জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে না। এই এলাকার অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়েছে।’
সমাবেশে শুধু মির্জা ফখরুল বক্তব্য রাখলেও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, লে. জেনারেল (অব.)মাহবুবুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আল নোমান, মেজর(অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. ওসমান ফারুক, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট আহম্মদ আজম খান, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু।
এছাড়া লংমার্চে অংশ নেয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান খান রিপন, নাজিম উদ্দীন আলম, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল সভাপতি নূরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সভাপতি হাফেজ মওলানা আব্দুল মালেক ও সাধারণ সম্পাদক মওলানা শাহ মো. নেছারুল হক প্রমুখ।[b]
ঢাকা, এমএইচ, ২৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এনএস[/b]
আমরা ভারতের আধিপত্য মেনে নেব না : ফখরুল
তিস্তার ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জাতীয় ঐক্যে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'আমরা কোনো দেশের আধিপত্য মেনে নেব না। আমাদের এ সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এ সরকার অবৈধ
ইসরাইলে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা, উদ্বিগ্ন ভারত
ইসরাইলের সাম্প্রতিক নির্বাচনে কোনো জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে দেশটিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই রাজনৈতিক অচলাবস্থার প্রভাব শুধু ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ইরান, গাজা ও পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির পাশাপাশি ভারতের স্বার্থেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
এএফপির প্রতিবেদন গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ
ভারতের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নতুন সমঝোতায় পৌঁছাতে ভারতকে আলোচনায় বসতে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ। নতুন চুক্তি না হলে শুষ্ক মৌসুমে পানিসংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে কৃষি, মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ ও কোটি কোটি মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
মাথাপিছু জিডিপি ভারতকে ছাড়াচ্ছে বাংলাদেশ
মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ২০২৬ সালে আবারও ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৮৮৬ ডলার। অন্যদিকে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হতে পারে ২ হাজার ৭৪৯ ডলার। অর্থাৎ এ সূচকে ভারতের চেয়ে ১৩৭ ডলার এগিয়ে থাকতে পারে বাংলাদেশ।
‘অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস’-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ভারতে শত শত মুসলিমকে পায়ে গুলি করে পঙ্গু করেছে পুলিশ
ভারতে গরু পাচারের অভিযোগে শত শত মুসলিম নাগরিককে পায়ে গুলি করে পঙ্গু করে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে মার্কিন সংবাদ সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস’-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। দেশটির হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠদের সন্তুষ্ট করতে মুসলিমদের টার্গেট করে ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে পুলিশ এ ধরনের বিচারবহির্ভূত নিপীড়ন চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
বিজেপি সরকারের নতুন নিয়ম ঘিরে বিতর্ক ভারতের উত্তরাখণ্ডে মাদরাসায় জুমার ছুটি বাতিল
ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের স্বীকৃত মাদরাসাগুলোতে শুক্রবারের ঐতিহ্যবাহী সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে রোববার ছুটি চালুর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যটির বিজেপি সরকার। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা ও নিয়ম কার্যকরের যুক্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হলেও রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক। সমালোচকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অধিকার ও সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাতন্ত্র্য ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে।
















