বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সরকারকে বন্দুক ছেড়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, যদি মনে করেন বন্দুক দিয়ে ক্ষমতায় থাকবেন তাহলে পরিণতি হবে আরো ভয়াবহ।
সোমবার রাতে গুলশানের নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় পার্টির ৬৮ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান শেষে বেগম খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই অবৈধ সরকারের সরে যাওয়ার দুটি পথ। হয় তারা নির্বাচনের মাধ্যমে সরে যাবে। নয়তো কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তাদেরকে সরে যেতে বাধ্য করা হবে।
বেগম জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ চাইলেও বিএনপিকে ধ্বংস করতে পারবে না। তারা যত অত্যাচার-নির্যাতন করবে, বিএনপির জনপ্রিয়তা ততই বাড়বে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, দেশে বর্তমানে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে যে সীমান্তে ভারতীয়রা মানুষ মারে। দেশের ভেতরে আওয়ামী লীগ মানুষ মারে। দেশের মানুষ এখন যাবে কোথায়?
তিনি বলেন, সারাদেশে যে খুন-গুম-হত্যা চলছে। এসব আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই করছে। এসব বন্ধ করতে হলে আন্দোলন সংগ্রাম করেই বন্ধ করতে হবে।
বেগম খালেদা জিয়া বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটই হয়নি। এই নির্বাচনে ১৫৩ জন এমপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। ১৪৭টি আসনে ভোট হয়েছে। এসব আসনের ৫৭টি কেন্দ্রে ভোটই পড়েনি।
তিনি বলেন, বর্তমানে উপজেলায় নির্বাচন চলছে। এই নির্বাচনে ভোটের উৎসব চলছে। নারী-পুরুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যায় কেন্দ্রে। এ রকম লাইন কী ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে দেখেছেন? তাহলে ওটা কীসের নির্বাচন ছিল।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এই জন্যই আমরা বলি এই সরকার অবৈধ, অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক। তারা যতই সংবিধানের দোহাই দিক। কীভাবে সাংবিধানিক সরকার হবে তারা? তারা তো নির্বাচিতই হয়েছে অগণতান্ত্রিকভাবে।
তিনি বলেন, এবার অনেক নতুন ভোটার ছিল। একতরফা নির্বাচনের কারণে তারা ভোট দিতে পারেনি। তারা ভোটের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাহলে এই সরকারকে কীভাবে গণতান্ত্রিক সরকার বলা যাবে?
সরকার কৃষি খাতে ব্যাপক উন্নয়নের বুলি আওড়ালেও বাস্তবে তত উন্নয়ন হয়নি মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এই সরকারের মুখে শুধু বড় বড় কথা। মিথ্যা কথা। আমরা (বিএনপি) কৃষকদের জন্য যা করেছি। এরা (আওয়ামী লীগ) সে অনুপাতে কিছুই করেনি।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আমাদের সময় চাল, ডাল, সারসহ যাবতীয় কৃষি সরঞ্জামের দাম কম ছিল। আমরা কৃষির ওপর অনেক বেশি জোর দিয়েছিলাম। জিয়াউর রহমানও এই খাতে বেশি জোর দিয়েছিলেন। কারণ, আমাদের লক্ষ্যই ছিল খাদ্যে স¦য়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা। আমরা অনেকটা এগিয়েও গিয়ছিলাম।
[b]ঢাকা,১১মার্চ,টাইমনিউজবিডি//এসএইচ[/b]
বন্দুক ছেড়ে আলোচনায় বসুন:খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সরকারকে বন্দুক ছেড়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, যদি মনে করেন বন্দুক দিয়ে ক্ষমতায় থাকবেন তাহলে পরিণতি হবে আরো ভয়াবহ। সোমবার রাতে গুলশানের নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় পার্টির ৬৮ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান শেষে বেগম খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন
এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও যৌথ দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
র্যাব বিলুপ্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া, সংস্কার নয়: জামায়াত এমপি
নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনার পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া র্যাবকে ‘কিলিং স্কোয়াড’ আখ্যা দিয়ে বাহিনীটি বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিলেন বলে সংসদে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিরোধীদের আশ্রয়ে পাটোয়ারী-সিফাতরা জিয়া পরিবারকে গালিগালাজ করছে
বিরোধী দলের আশ্রয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সিফাতরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারকে লক্ষ্য করে অশালীন উক্তি ও বিবেক-নীতিবর্জিত গালিগালাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। এ ধরনের বক্তব্য ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তারেক রহমানের পাশেও ঢাকাবাসী: আবদুস সালাম
ঢাকা শহর অতীতে যেভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশে ছিল, একইভাবে বর্তমানেও ঢাকাবাসী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম।
















