চন্দ্রগ্রহণের দৃশ্য দেখার আগ্রহ প্রায় সবারই থাকে৷ আর সেই আগ্রহের কারণে যখনই চন্দ্রগ্রহণ হয় এবং বাংলাদেশ থেকে তা দেখার সম্ভাবনা থাকলে ঢাকার বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিত্সু চক্র খোলা মাঠে হাজির হন টেলিস্কোপ নিয়ে৷
পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হলেই এবং বাংলাদেশ থেকে তা দেখা গেলে ঢাকার বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিত্সু চক্র তা সাধারণ মানুষকে দেখার সুযোগ করে দেয়৷ আয়োজন করে ক্যাম্প৷ কখণো ঢাকার ধানমন্ডি মাঠে, কখনোবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে৷ টেলিস্কোপে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের দৃশ্য দেখতে ভিড় জমে যায়৷
২০১১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে রেডিও টেলিস্কোপে পূর্ণ চন্দ্র গ্রহণের দৃশ্য দেখানো হয়৷ উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষকে গ্রহণ দেখানো এবং তথ্য সংগ্রহ৷
সেসময় রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে চন্দ্রগ্রহণের দৃশ্য ধারণ করে সেইসব ছবি যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান অ্যাসোসিয়েশনে পাঠিয়েছিল ঢাকার বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিত্সু চক্র৷ আর এর মাধ্যমে চাঁদের রহস্য আবিষ্কারে বাংলাদেশও যুক্ত হয়৷
ঢাকা থেকে পাঠানো এসব ছবি বিশ্লেষণের মাধ্যমে চাঁদের অনাবিষ্কৃত দিকগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান অ্যাসোসিয়েশন৷ রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে জ্যোতির্বিদরা মহাশূণ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য অতি দ্রুত গতিতে লাভ করতে সক্ষম হন৷
তারিফ রশীদ শান্ত বাংলাদেশের অন্যতম বেতার জ্যোতির্বিদ৷ যিনি ২০১১ সালে রেডিও টেলিস্কোপকে অনলাইন ভার্সন এ রূপ দেন৷ বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন রেডিও টেলিস্কোপটি তাঁরই তৈরি৷ এই অনলাইন ভার্সনে একটি ওয়েবপেজে সরাসরি প্রতি ঘণ্টায় রেডিও টেলিস্কোপের তথ্যগুলো অটোমেটিক আপডেট হত৷
তাই প্রতি ঘন্টায় সেই ওয়েবপেজ থেকে আয়নস্ফিয়ারের পরিবর্তন ও কখন কোনো সোলার ফ্লেয়ার হলো কিনা, সেগুলো জানা যেত পৃথিবীর যেখান থেকে খুশি৷ তবে আর্থিক সমস্যার কারণে এই অনলাইন রেডিও টেলিস্কোপটি চালাতে পারেননি তিনি৷ সূত্র: ডিডব্লিউ
[b]ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি (টাইম নিউজ বিডি.কম)//ইএইচ[/b]
রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে চন্দ্রগ্রহণের দৃশ্য
চন্দ্রগ্রহণের দৃশ্য দেখার আগ্রহ প্রায় সবারই থাকে৷ আর সেই আগ্রহের কারণে যখনই চন্দ্রগ্রহণ হয় এবং বাংলাদেশ থেকে তা দেখার সম্ভাবনা থাকলে ঢাকার বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিত্সু চক্র খোলা মাঠে হাজির হন টেলিস্কোপ নিয়ে৷ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হলেই এবং বাংলাদেশ থেকে তা দেখা গেলে
ঢাবির ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নাম সরিয়ে ফের ‘মুজিব হল’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নাম সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
মাহমুদুর রহমান মাদরাসাকে অবহেলা শুরু মুজিব আমল থেকে
আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, মাদরাসাকে অবহেলা করার পরম্পরা শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময় থেকেই শুরু হয়েছে। শেখ মুজিব যখন বললেন ইসলামের নামে সমস্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ, তখন থেকেই শুরু হয় বাংলাদেশে আলেম সমাজ এবং মাদরাসা শিক্ষাকে অবমূল্যায়ন করার ইতিহাস।
শেখ মুজিবের ছবি, মূর্তি ও বোর্ড তৈরির খরচ ৯৮৩ কোটি টাকা
‘মুজিববর্ষ’ পালন উপলক্ষ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, বেদী, বিভিন্ন সরকারি অফিসে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের মূর্তি নির্মাণ এবং জাতীয় পর্যায়ে সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড তৈরিসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সরকারের মোট কত টাকা ব্যয় হয়েছিল, তার হিসাব জাতীয় সংসদে প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তাজউদ্দিনের অনুরোধেও স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি শেখ মুজিব: স্পিকার
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভাঙার কোনো ইচ্ছা বা বিচ্ছিন্নতাবাদী হওয়ার বাসনা শেখ মুজিবুর রহমানের ছিল না। তাই ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর ক্র্যাকডাউনের আগে তাজউদ্দিন আহমেদের অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।
ডা. শফিকুর রহমান সরকার ইতোমধ্যে অনেকগুলো অঘটন ঘটিয়েছে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে সরকার অনেক অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নর নিয়োগ, ইসলামী ব্যাংকের দিকে কালো হাত, বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় ভিসি নিয়োগ, জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দলীয় নেতা ও ক্যাডার নিয়োগ দিয়ে এক দলীয় শাসন কায়েম করছে। শেখ মুজিবুর রহমানও এক দলীয় শাসন কায়েম করেছিল। টিকতে পারেনি।
















