তুরস্কে ইন্টারনেট সংক্রান্ত আইন কঠোর করেছে সেদেশের সরকার৷ বুধবার রাতে আইনটি অনুমোদন হয়৷ এই আইনে ইন্টারনেটের ওপর নজরদারির ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে দেশটির টেলিযোগাযোগ বিভাগকে৷
ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিলটি নিয়ে বুধবার রাতে পার্লামেন্টে কয়েক ঘণ্টা তুমুল বিতর্ক হয় সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে৷ পরে ৫৫০ সদস্যের মধ্যে ৩১৯ জন এই প্রস্তাবের পক্ষে মত দেন৷ পার্লামেন্টে বিরোধীদের বক্তব্য ছিল, এই আইনটি এক ধরনের ‘সেন্সরশিপ'৷ কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের ক্ষমতাসীন জাস্টিস এবং ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তাদের প্রতিরোধ ধোপে টেকেনি৷
এই আইনের ফলে কোনো ব্যক্তি কাউকে অসম্মান করলে বা ব্যঙ্গ করলে আদালতের নির্দেশ ছাড়াই ইন্টারনেট সুবিধা বা ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়ার ক্ষমতা থাকছে সরকারি সংস্থা টেলিকমিউনিকেশনস কমিউনিকেশনস প্রেসিডেন্সি ‘টিআইবি'র৷ এমনকি অবাধ নজরদারির ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে টিআইবিকে৷
ইস্তাম্বুলের বিলগি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক ইয়ামান আকদেনিজ জানান, টিআইবিকে এই ক্ষমতা দেয়া ‘অরওয়েলিয়ান',অর্থাৎ মুক্ত চিন্তা ও বাক স্বাধীনতার লঙ্ঘন৷
আকদেনিজ সংবাদ সংস্থা এএফপিকে আরো জানান, টিআইবি-র যদি মনে হয় কোনো ব্যক্তি এমন কোনো ছবি বা পোস্ট দিয়েছেন যা অন্যের জন্য অসম্মানজনক, তবে ঐ ব্যক্তি যে কোম্পানির গ্রাহক তাকে অনুরোধ করা হবে অন্তত দুই বছরের জন্য তার সমস্ত সেবা বন্ধ করে দিতে।
তবে ২০০৭ সাল থেকেই তুরস্কে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ শুরু হয়৷ ব্যক্তিগত নীতির লঙ্ঘণ করায় তখন ব্লগিং টুল ওয়ার্ডপ্রেস এবং ভিডিও শেয়ারিং সার্ভিসেস ডেইলিমোশন এবং ভিমিও আদালতের নির্দেশে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল৷
ইউরোপের অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড করপোরেশন বা ওএসসিই জানিয়েছে, টিআইবিকে এই নতুন ক্ষমতা দেয়ার অর্থ কোনো রকম আইনগত বাধ্যবাধ্যকতা ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করতে সমর্থ হবে তারা৷ যেখানে ব্যবহারকারীরা কেউই জানতে পারবেন না, কখন কিভাবে তাদের তথ্য সরকারের হাতে গেল৷
সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হয়েছে, এটা কোনো ইন্টারনেট সেন্সরশিপ নয়৷ অন্য অনেক দেশের তুলনায় তাদের দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আছে এবং তারা মুক্ত চিন্তায় বিশ্বাসী৷
তবে ইন্টারনেট বিষয়ক এই নতুন আইনের ফলে তুরস্কে মত প্রকাশ ও বাক স্বাধীনতা সীমিত হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ সেই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা আরো বেড়ে যাবে বলেই আশঙ্কা তাদের। সূত্র: ডয়চে ভেলে
[b]ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ
[/b]
কঠোর হলো তুরস্কের ইন্টারনেট আইন
তুরস্কে ইন্টারনেট সংক্রান্ত আইন কঠোর করেছে সেদেশের সরকার৷ বুধবার রাতে আইনটি অনুমোদন হয়৷ এই আইনে ইন্টারনেটের ওপর নজরদারির ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে দেশটির টেলিযোগাযোগ বিভাগকে৷
শপথ পেছানোর চক্রান্ত ইসরাইলে আরব ভোট বাড়াতে কাতার-তুরস্কের অর্থায়নের অভিযোগ
ইসরাইলের নির্বাচনে আরব জনগোষ্ঠীর ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে কাতার ও তুরস্কসহ বিদেশি পক্ষগুলো অর্থ জুগিয়েছে কি না, তা তদন্ত করছে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত। নির্বাচনে বিদেশি অর্থায়ন ও হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গ।
পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সঙ্গে ইরানের বৈঠক শুরু
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ জোটের তিন সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন।
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমিত করা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ‘মক্কা জোটের’ তিন সদস্য- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান।
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক-লিবিয়া চুক্তি, ক্ষুব্ধ ইসরাইল
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক ও লিবিয়ার মধ্যে সামুদ্রিক সীমা নির্ধারণসংক্রান্ত চুক্তি অনুমোদনের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। লিবিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের এ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইল। অন্যদিকে, চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়েছে তুরস্ক। গ্রিস, সাইপ্রাস ও মিসরও এর বিরোধিতা করেছে।
তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে চুক্তি সই করেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। দেশগুলোর মধ্যে সামরিক মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার পথ আরও সুগম করাই এ চুক্তির লক্ষ্য।
















