তাই হাতে আছে আর মাত্র এক দিন। দল ঘোষণার পর অদলবদল করার জন্য যদিও হাতে থাকবে এক মাস সময়। তবে প্রাথমিকভাবে তালিকা জমা দেওয়ার জন্য ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে আইসিসি। ফলে রাত পোহালেই বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল আইসিসির কাছে জমা দেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

১৫ সদস্যের দল এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়ে গেছে। অবসর নিয়েছেন তামিম ইকবাল। বোলিং অ্যাকশন ও অন্যান্য ইস্যুতে থাকা হচ্ছে না সাকিব আল হাসানের। এদিকে বিকল্প খুব বেশি নেই বাংলাদেশের। গুঞ্জন আছে, ১৯ জনের খসড়া স্কোয়াড থেকে কাটা গেছে লিটন দাসের নাম।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের ইনিংস শুরুর দায়িত্ব বর্তাবে তানজিদ হাসান এবং সৌম্য সরকারের কাঁধে। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি টপ অর্ডারে ব্যাট করবেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এছাড়া অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজদের দলে থাকা নিয়ে আপাতত কোন শঙ্কা নেই। একইভাবে তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেনের দলে থাকাটাও প্রায় নিশ্চিত।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মূল ভেন্যু পাকিস্তানের কন্ডিশন বিবেচনায় চার পেসারকে রাখতে পারেন স্কোয়াডে নির্বাচকরা। সেক্ষেত্রে হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম বাদ পড়তে পারেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বিমানে চড়ার টিকিট পেতে পারেন তানজিম হাসান সাকিব, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ। আর সাকিব আল হাসানের না থাকায় বাঁহাতি স্পিনারের অভাব পুষিয়ে দিতে দলে জায়গা হতে পারে নাসুম আহমেদের।

এছাড়া উইকটরক্ষক ব্যাটার জাকের আলীর বড় আসরে খেলার স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। ১৫ নম্বরে সদস্যের জন্য বোর্ডের ভাবনায় থাকতে পারেন ওপেনিংয়ের বিকল্প হিসেবে পারভেজ হোসেন ইমন। অথবা চমক হতে পারেন শেখ মাহেদি। একজন বাড়তি পেসার, ব্যাকআপ ওপেনার নাকি স্পিন অলরাউন্ডার শেখ মেহেদিকে বেছে নিবেন নির্বাচক প্যানেল? চ্যাম্পিয়নস দল ঘোষণার আগ পর্যন্ত থাকবে এ প্রশ্ন।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য স্কোয়াড-

তানজিদ তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলি অনিক, তাওহিদ হৃদয়, মেহেদি হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ, শেখ মেহেদি/পারভেজ হোসেন ইমন/শরিফুল ইসলাম।

এনএইচ