শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ৭৫ মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় বসুন্ধরা কিংস। বক্সের মধ্যে আবাহনী লিমিটেড-এর দুই ডিফেন্ডার ফাহিমকে ফেলে দিলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
স্পটকিক নিতে এসে ভুল করেননি দরিয়েলতন গোমেজ। তার ডান পায়ের জোরালো শট জালে জড়াতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম।
এরপর ৭৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সোহেল রানা। বক্সের মধ্যে থেকে তার বুলেটগতির শট কার্যত নিশ্চিত করে দেয় বসুন্ধরার শিরোপা পুনরুদ্ধার।
রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ১ ম্যাচ হাতে রেখে ষষ্ঠবারের মতো বাংলাদেশ ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন হয় বসুন্ধরা কিংস। ২-০ গোলের জয়ে ট্রফি নিশ্চিত করা দলটি এর আগে টানা পাঁচবার শিরোপা জিতেছিল।
১৭ ম্যাচ শেষে বসুন্ধরা কিংসের সংগ্রহ ৩৮ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে আবাহনী লিমিটেড ও ফর্টিস এফসি-এর পয়েন্ট ৩৪।
ম্যাচের শেষ দিকে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছিল আবাহনী। ৮৫ মিনিটে একক নৈপুণ্যে গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন এমেকা ওগবুগ। মাঝমাঠ থেকে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নেওয়ার পর তার নেওয়া শট অল্পের জন্য বারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।
যোগ করা সময়েও আরেকটি সুযোগ নষ্ট করে আবাহনী। ডান প্রান্ত থেকে সুলেমান দিয়াবাতে সঠিকভাবে বল বাড়াতে না পারায় গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয়। পরে আর কোনো গোল না হলে সমর্থকরা মাঠে নেমে খেলোয়াড়দের সঙ্গে শিরোপা উদযাপনে মেতে ওঠেন।
এস