১৮৭ রানেই সপ্তম উইকেট হারিয়েছিল সফরকারীরা। ফলে শেষ ৩ উইকেটে তারা যোগ করেছে ৬৭ রান। ইস সোধি ৩৫, কাইল জেমিসন ২০ ও লকি ফার্গুসন করেছেন ১২ রান।

বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া প্রথম ম্যাচের মতো এবারও শুরুতেই মোস্তাফিজুর রহমানের তোপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। তবে চতুর্থ উইকেটে হেনরি নিকোলস ও টম ব্লান্ডেলের ৯৫ রানে জুটি অনেকটাই এগিয়ে নেয় তাদের। এরপর অবশ্য দ্রুত উইকেট হারায় তারা।

কিন্তু শেষে প্রতিরোধ গড়েন সোধিরা। জেমিসন ও সোধি প্রথমে পাল্টা আক্রমণ করেন। রানআউট হয়ে ফিরে যেতে থাকা সোধিকে ফিরিয়ে আনেন লিটন, এরপর তিনি যোগ করেন আর ১০ রান। শেষ উইকেটে ট্রেন্ট বোল্টকে নিয়ে তিনি যোগ করেন আরও ১৪ রান।

ইনিংসের মাঝপথে ২৫৪ রানের সংগ্রহ নিউজিল্যান্ডকে বেশ আশাবাদিই করে তুলবে। আর বাংলাদেশ হতাশ হবে নিউজিল্যান্ডকে ২০০-এর আশেপাশে রেখে অলআউট করার সুযোগ হারিয়ে।

৪৯.২ ওভারে অলআউট হয়েছে কিউইরা। সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেছেন টম ব্লান্ডেল। বাকিরা বড় কোনো স্কোর করতে না পারলেও বেশ কিছু মাঝারিমানের স্কোর গড়েছে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। বাংলাদেশের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন অভিষিক্ত পেসার খালেদ আহমেদ এবং অফ স্পিনার শেখ মাহদি হাসান।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক লকি ফার্গুসন। তবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একদমই ভালো হয়নি কিউইদের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই আঘাত হানেন টাইগার পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। ১৫ রানে প্রথম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ।

৮ বলে ০ রান করেন মোস্তাফিজের লাফিয়ে উঠা ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন উইল ইয়ং। এরপর ইনিংসের সপ্তম ওভারে মোস্তাফিজ ফিরিয়েছেন ফিন অ্যালেনকে (১২)। প্রথম স্লিপে ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। ২৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় কিউইরা।

টেস্ট দলে তিনি প্রায় নিয়মিত। তবে ওয়ানডে অভিষেক হলো আজই। অভিষেক ম্যাচে প্রথম ওভারেই ঝলক দেখালেন খালেদ আহমেদ।

কিউই ইনিংসের অষ্টম ওভারে খালেদের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক লিটন দাস। প্রথম বলে বাউন্ডারি হজম করলেও এরপর দারুণভাবে লাইন ফিরে পান খালেদ। পঞ্চম বলে তিনি স্কয়ার লেগে তাওহিদ হৃদয়ের ক্যাচ বানান অনেকটাই সেট হয়ে যাওয়া চাদ বয়েসকে (১৯ বলে ১৪)।

৩৬ রানে ছিল না ৩ উইকেট। সেই বিপর্যয় থেকে কিউইদের উদ্ধার করেন হেনরি নিকোলস আর টম ব্লান্ডেল। চতুর্থ উইকেটে ১১১ বলে ৯৫ রানের জুটি গড়েন তারা।

অবশেষে এই জুটিটি ভেঙে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন অভিষিক্ত পেসার খালেদ আহমেদ। নিকোলসকে হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়া থেকে ফিরিয়েছেন তিনি। ৬১ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৪৯ করে খালেদকে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হন নিকোলস।

এরপর রাচিন রাবিন্দ্রকেও থিতু হতে দেননি শেখ মাহদি। ১৪ বলে ১০ করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরতে হয় কিউই ব্যাটারকে।

দেখেশুনে খেলছিলেন টম ব্লান্ডেল। কিন্তু হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে স্টাম্প খুঁজে পাননি এই ব্যাটার। ৬৬ বলে ৬৮ রানে থামে ব্লান্ডেলের ইনিংসটা।

এমবি