রান হচ্ছে, উইকেট পড়ছে; কুড়ি-বিশের মনোরম উদ্যানে সুরভি ছড়াচ্ছেন অনেকে। তবু কেন যেন আক্ষেপ-অপূর্ণতা হাহাকার তুলছে। ঢাকা থেকে সিলেট হয়ে চট্টগ্রামেও বেজেই চলেছে অতৃপ্তির বেহালা।

‘ফুলের জলসায় কবি যেমন নীরব’, বিপিএলের বাগানে বেদনা তেমনি সরব। কী যেন নেই, কিসের যেন ঘাটতি, বাতাসে কান পাতলেই শোনা যায় ফিসফিসানি। গান বাঁধা হচ্ছে বেসুরো কণ্ঠে। স্বরলিপি আছে, সুর নেই। ভালোমানের বিদেশি তারকা নেই। পারিশ্রমিক নেই। দুর্বার রাজশাহী ‘দুর্বল’। চিটাগং কিংস নেই ‘কিং’। বিপিএল যেন ‘না ঘরকা না ঘাটকা’।

ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক পেতে আলটিমেটাম দিতে হয়েছে। সম্মানির যৎকিঞ্চিৎ অর্থ হাতে পেয়ে শুক্রবার দারুণ জয় উপহার দিয়েছেন দুর্বার রাজশাহীর খেলোয়াড়রা। চিটাগংয়ের বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত সানি মনে করেন, সঠিক সময়ে পারিশ্রমিক পাওয়া বড় ব্যাপার। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের দলের কেউ টাকা পায়নি, এমন অভিযোগ নেই। দু-একদিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ দিয়ে দেবে, নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি।’

তিনি বলেন, ‘টাকাটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। দিনশেষে পারিশ্রমিক ম্যাটার করে। আমরা যারা খেলি, টাকাটা আমাদের কাছে বড় ব্যাপার। আমাদের পেশা ক্রিকেট। তাই খেলে যখনই অর্থ পাই ভালো লাগে।’

পারিশ্রমিক না পেলে ম্যাচ না খেলার হুমকি দিয়েছিলেন রাজশাহীর ক্রিকেটাররা। বৃহস্পতিবার রাতে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিকের কিছু অর্থ এবং কাল সকালে আরও কিছু দেওয়া হয়েছে। এরপর দুপুরে মাঠে নেমে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ৬৫ রানে জয় পেয়েছে রাজশাহী। এইচআর