আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেছেন লিওনেল মেসি।

তিনি আরও বলেন, ‘এবারের বিশ্বকাপের স্কোয়াডের সঙ্গে ২০১৪ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে আমি অনেক মিল খুঁজে পাই। সেই দলটায় যেই মানসিক দৃঢ়তা আমি দেখেছি এবারের স্কোয়াডেও সেই একই একাগ্রতা আমি দেখতে পাচ্ছি। আসরের প্রথম ম্যাচটায় আমরা জিততে চাই। এরপর সেই আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও জয়ের প্রত্যাশা। তবে প্রত্যাশার চাপটাও অনেকখানি। এ ছাড়া এবারের বিশ্বকাপে যে কোনো কিছুই ঘটতে পারে। তাই শুরু থেকেই একই ছন্দে খেলতে হবে। গ্রুপের যে কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সমানভাবেই লড়াই করতে হবে।’

টানা ৩৫ ম্যাচে অপরাজিত থাকার প্রসঙ্গে মেসি বলেন, ‘(অপরাজিত থাকার পথে) ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে আমরা খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি। যদিও ওরা আমাদের বিপক্ষে খেলতে পছন্দ করে না। তবে লাতিন দলগুলোকে হারানোও কঠিন। আর আমরা ভালো ফর্ম নিয়েই বিশ্বকাপে খেলব। কিন্তু আমরা ফেবারিট তকমার ফাঁদে পা দিয়ে বিশ্বাস করতে পারি না, ফেবারিট হওয়ায় এমনিতেই জিতব। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফ্রান্স ভালো দল। তাদের কয়েকজন খেলোয়াড় চোট পেলেও ভয় পাইয়ে দেওয়ার মতো দল গড়েছে। দলে সেরা খেলোয়াড়েরা আছেন এবং এমন এক কোচ আছেন, যিনি দীর্ঘদিন ধরে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করে গত বিশ্বকাপও জিতেছেন। ব্রাজিলের খেলোয়াড়েরাও বেশ ভালো। বিশেষ করে আক্রমণভাগে। তাদের ভালো ৯ নম্বর আছে, নেইমারও আছে।’

প্রসঙ্গত, মেসিদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর। বিশ্বকাপের ‘সি’ গ্রুপে আর্জেন্টিনা সেদিন মুখোমুখি হবে সৌদি আরবের। এরপর ২৭ নভেম্বর মেক্সিকো আর ১ নভেম্বর পোল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবেন মেসিরা। এর আগে টানা ৩৫ ম্যাচে অপরাজিত আলবিসেলেস্তারা, তিন বছর পার হয়ে গেছে দলটিকে হারাতে পারেনি বিশ্বের কেউ। সামনে আর দুই ম্যাচ জিতলেই সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অপরাজিত থাকার বিশ্ব রেকর্ডটাও নিজেদের করে নেবে মেসিবাহিনী। সেই দল তো এবার বিশ্বকাপে পরিষ্কার ফেভারিট হিসেবেই যাওয়ার কথা।

এন