এরই মধ্যে বিপিএল নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার প্রেস সচিব মাহফুজুল আলমের বিরুদ্ধে। যদিও জানা যায় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাহফুজুল।
জানা যায়, বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচের দিনে কিছু বিশৃঙ্খলা এবং অব্যবস্থাপনা নিয়ে সেদিন প্রেসিডেন্ট বক্সে ফারুক আহমেদের সঙ্গে কথা বলছিলেন মাহফুজ এবং তার সঙ্গে থাকা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা টিকিট নিয়ে বিশৃঙ্খলা, গ্যালারিতে আবু সাঈদ কর্নার ও দর্শকদের বিনা মূল্য পানি পানের জন্য মুগ্ধ কর্নারের প্রস্তুতিতে দেরি এবং জুলাই–আগস্টের আন্দোলনে আহত ১০০ জনের সৌজন্য টিকিট পেতে দেরি হওয়া নিয়ে বোর্ড সভাপতির কাছে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এছাড়া দেশের একটি গণমাধ্যমে জানায়, প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কথোপকথনের একপর্যায়ে মাহফুজ উত্তেজিত হয়ে ফারুক আহমেদকে উদ্দেশ করে বলেন, 'আপনি কীভাবে বিসিবি প্রেসিডেন্ট হয়েছেন, তা আমাদের জানা আছে।' এ সময় উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিরা পরিস্থিতি শান্ত করেন।
ক্রীড়া উপদেষ্টার প্রেস সচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে বিসিবির একজন কর্মকর্তা জানান, প্রেস সচিবের এমন আচরণ বিসিবি সভাপতির জন্য বিব্রতকর এবং ক্রীড়া উপদেষ্টার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। তিনি বলেন, 'প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত সবাই বোর্ড সভাপতির আমন্ত্রিত অতিথি। সেখানে তার সঙ্গে এমন অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না।'
এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সূত্র মতে, বিপিএলের উদ্বোধনী দিনে টিকিট বিতরণ ও গ্যালারি ব্যবস্থাপনায় অসংগতি তাকেও বিরক্ত করেছে।
এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মাহফুজুল আলম বলেন, 'এটি স্বাভাবিক কথাবার্তার অংশ ছিল। কেউ যদি ভুল ব্যাখ্যা দেয়, তা দুঃখজনক।' তিনি দাবি করেন, উত্তপ্ত পরিস্থিতি হয়নি এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এছাড়া জানা যায়, ঘটনার সময় মাহফুজের সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি মোবাইলে পুরো ঘটনা ভিডিও করেন। বিসিবির কর্মকর্তারা বিষয়টি টের পেয়ে তার মোবাইল ফোনটি নিয়ে রিবুট করে ফেরত দেন। জানা গেছে, ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট বক্সে প্রবেশ করেছিলেন নির্ধারিত পাস ছাড়া। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাকে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এইচআর





