শনিবার দুপুরে কসবা থানা-পুলিশ উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রাম থেকে শান্তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহত শান্তা অনন্তপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার মেয়ে। ২০২১ সালে একই উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ভোল্লাবাড়ি এলাকার কাউসারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে শান্তা কীটনাশক পান করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। পরে স্বামী কাউসার তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে শান্তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করেছেন। নিহতের ফুফাতো বোন রিনা বেগম বলেন, বিয়ের পর থেকেই শান্তার সংসারে অশান্তি লেগে ছিল। শান্তা আত্মহত্যা করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, তাকে নির্যাতনের পর মুখে কীটনাশক ঢেলে দেওয়া হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। নিহতের স্বামী কাউসারকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এমএম