ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ রুশ বার্তা সংস্থা তাসকে জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের কিয়েভ সফরকে সামনে রেখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শনিবার মস্কোয় পৌঁছেছেন উইটকফ ও কুশনার। রাশিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন। মস্কো সফর শেষে রোববার তাদের কিয়েভ যাওয়ার কথা রয়েছে।
ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে দুই দূতের প্রথম কিয়েভ সফর। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার সম্ভাবনা যাচাই করতেই তিনি তাদের মস্কো ও কিয়েভে পাঠিয়েছেন। তাদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের একটি প্রস্তাব রয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে প্রস্তাবটির আওতায় ইউক্রেনকে কোনো ভূখণ্ড ছাড়তে হবে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি ট্রাম্প।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা যতটা সম্ভব গঠনমূলক ও অর্থবহ হওয়া দরকার।
যুদ্ধের অবসানে বাস্তবসম্মত পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়ে জেলেনস্কি বলেন, সংঘাত কীভাবে শেষ করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর সমাধান বের করতে হবে।
এর আগে চলতি বছরের শুরুতে আবুধাবি ও জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসব বৈঠক থেকে যুদ্ধ বন্ধে কোনো সমঝোতা আসেনি। পরে আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়।
এদিকে রুশ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, আলোচনায় অগ্রসর হতে হলে যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতিকে বিবেচনায় নিতে হবে। তার দাবি, সাম্প্রতিক সামরিক পরিস্থিতি রাশিয়ার অনুকূলে রয়েছে।
এস