তাবলিগের শুরায়ি নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে এই জোড় অনুষ্ঠিত হয়। অনেকে এটাকে জোড় ইজতেমাও বলেন। এখানে তাবলিগের সাথীরা পুরো বছরের কাজের কারগুজারি (কাজের ফলাফল) পেশ করেন এবং মুরুব্বিদের থেকে রাহবারি (নির্দেশনা) নেওয়ার সুযোগ পান। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের শুরায়ি নেজামের মুরুব্বিরা এরই মধ্যে টঙ্গীতে সমবেত হয়েছেন।
ইজতেমার মুরুব্বিদের সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ দিনের জোড় তাবলিগ জামাতের এক ঐতিহ্য বিশেষ। দাওয়াতের কাজের চেতনার স্পন্দন জাগানোর বিশেষ আয়োজন। এখান থেকেই সারা বছরের কাজের সঠিক নকশা ও দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হয়।
জোড় উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন এবং সেবা সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে। নিরাপত্তার জন্য তাবলিগের স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনি মোতায়েন করা হয়েছে।
এনএইচ