রোববার (২ আগস্ট) সকাল থেকে নগরীর জিইসি মোড়, দুই নম্বর গেট, কাজীর দেউড়ি, লালখান বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পোস্টার দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি স্থানে জুলাই আন্দোলনের স্মরণে আঁকা গ্রাফিতির ওপরই পোস্টার লাগানো হয়েছে।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ গ্রাফিতির ওপর পোস্টার লাগানোর সমালোচনা করেছেন, আবার কেউ এ বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন।

এদিকে আগামী ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরতে পারেন—এমন গুঞ্জনের মধ্যেই নগরজুড়ে ওয়াহিদ মালেকের পোস্টার লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পরিচিত কয়েকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টার লাগানোর ঘটনাকে স্বাগত জানিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এসব পোস্টে ওয়াহিদ মালেকের প্রশংসা করা হয় এবং পোস্টার লাগানোর উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরা হয়।

তবে পোস্টারগুলো কারা লাগিয়েছে বা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এস