মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের ৪৬ ও ৪৭ নম্বর সীমান্ত পিলারের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে প্রায় ১০০ মিটার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গরবিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাটি বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন আউং থা পায়া পোস্টের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আব্দুল করিম নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি মকতুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আব্দুল করিমসহ চারজন বিভিন্ন সময় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে যাতায়াত করতেন। মঙ্গলবারও তারা সীমান্ত অতিক্রম করে সেখানে গেলে হঠাৎ স্থলমাইনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আব্দুল করিম গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণে তার বাম পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বিস্ফোরণের পর তার সঙ্গে থাকা অন্য তিনজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আব্দুল করিমকে উদ্ধার করা হয়। প্রথমে স্থানীয়ভাবে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা এলাকার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা মো. কামাল মিয়া বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। আহত যুবককে দ্রুত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঘটেছে বলে তারা জেনেছেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এনামুল হাসান বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

এমএম