নিহত মোমেন মিয়া ওই গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন- মৃত খালেক মিয়ার ছেলে মোবারক (৬৫), শহীদ মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (৩০), কুদ্দুস মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন (৩৭)। আহতরা রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয় সংসদ সদস্য দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসাও করেছিলেন। এরপর আবারও তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে রোববার সকালে ফরিদ গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোমেনের বাড়িতে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় মাথায় ও পায়ে গুলি করে মোমেনকে আহত করা হয়। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বিনিতা জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় মোমেন মিয়া নামে একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের পালস ও প্রেসার পাওয়া যাচ্ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে হাসপাতালে আনার আগেই রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
রায়পুরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চাঁনপুরে সওদাগরকান্দি এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মুমেন মিয়া নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এস