অবস্থানকারীদের অভিযোগ, পুলিশের নীরব ভূমিকা ও সহযোগিতার কারণেই নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ফেনী কলেজ শাখার সভাপতি এবং ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত নোমান হাবিব এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ফেনীতে অবস্থান করতে সক্ষম হয়েছেন। এমনকি তিনি প্রকাশ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মিছিল করলেও পুলিশ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি করেন তারা।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা মোহাইমিন তাজিম বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াবে, মিছিল করবে—আর পুলিশ নীরব থাকবে, এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় জুলাই যোদ্ধারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
পরিস্থিতির একপর্যায়ে এসপি প্রত্যুষ কুমার মজুমদার অবস্থানকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নোমান হাবিবসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
তার আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা অবস্থান কর্মসূচি শেষ করেন। তবে তাদের দাবি, দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এস