শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাতে ছাতক উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের দড়ারপার ও মনিরগাতি-কুম্বায়ন গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- আবু বক্কর (৩৫), লোকমান মিয়া (৪৫), ফয়সাল আহমেদ (২৫), লাহিন মিয়া (২২), মো. সাকলাইন মিয়া (২৬), গিয়াস উদ্দিন (৫০), মো. নাহিদ মিয়া (২০), জামাল হোসেন (৪০), সফর আলী (৩৫)।

গুরুতর আহতদেরকে স্থানীয় কৈতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনিরগাতি-কুম্বায়ন গ্রামের নাহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে দড়ারপার গ্রামের আবু বক্করের বাড়ি থেকে একাধিকবার দেশীয় মোরগ চুরির অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার রাতেও আবু বক্করের একটি মুরগি চুরি হওয়ার পর তিনি ক্ষোভ নিয়ে নাহিদের বাড়িতে গিয়ে প্রশ্ন করেন।

অভিযোগ করা হয়, এ সময় নাহিদের ভাইসহ কয়েকজন লোক আবু বক্করকে আটক করে রাখে।

এ খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে দড়ারপার গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, লাঠি-সোটা নিয়ে ঘটনাস্থলের ছুটে যায়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে নাহিদের বাড়ির সামনে উত্তেজনা বাড়ে এবং দ্রুতই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। একপর্যায়ে গ্রামসংলগ্ন পাকা ব্রিজ এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের ৬০ জন লোক আহত হয়।

এ খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ, জাউয়াবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা এবং সেনাবাহিনীর একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ ব্যাপারে ছাতক থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম খান জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে টহল অব্যাহত রেখেছে।

এনএইচ