নিজের প্রার্থীতা জানান দিয়ে তিনি উপজেলার ৯নং শেখেরহাট ইউনিয়নবাসীর সবার কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। একটি সুখী-সুন্দর দেশ ও সমাজ নির্মাণে সর্বপ্রথম ইউনিয়ন পর্যায়ে উন্নয়ন প্রয়োজন।
রফিকুল ইসলাম জানান, সমাজের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে ও সুখে দুঃখে মানুষের পাশে দাড়াতেই এ বছর ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রাথী হিসেবে নির্বাচন করবেন। তিনি আধুনিক ইউনিয়ন গড়তে চান। ইউনিয়নের প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে ধর্ম, বর্ণ, দল, মত নির্বিশেষে সর্ব মহলে জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন। রাজনৈতিক দলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকেরা গা-ঝাড়া দিয়ে উঠেছে। আড্ডা ও চায়ের কাপে উঠেছে আলোচনার ঝড়।
তিনি বলেন, আমার কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবির প্রয়োজন নেই। আমি ইউনিয়নের মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই। তাদের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকতে চাই। আমার যতটুকু সামর্থ্য আছে তা দিয়ে সকলের উপকার করতে চাই। আমাদের শেখেরহাট ইউনিয়নের মা মাটি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।
তৃণমুলেও পছন্দের শীর্ষে রয়েছে তিনি। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা ইচ্ছে প্রকাশ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আ.লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে শেখেরহাট ইউনিয়ন বিভিন্ন উন্নয়ন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক খেলাধুলা ও সমাজ সেবামূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। ইউনিয়ন সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ও মেধাবী নেতৃত্ব হিসেবে তার একটা নিজস্ব ব্যক্তি ইমেজ রয়েছে।
ভোটারদের অধিকাংশ তরুণ, এসব ভোটারদের মানসিকতা ও তৃণমূলের পছন্দ বিবেচনা করে তরুণ নেতৃত্ব রফিকুল ইসলাম নবীনকে নির্বাচনে প্রার্থী করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।
এনএইচ





