জেলার তেঁতুলিয়ায় সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল রোববার একই সময়ে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।

সকাল ৯টার দিকে কোথাও কোথাও সূর্যের দেখা মিললেও উত্তাপ অনেক নেই। কোথাও কুয়াশার চাদরে ঢাকা আছে প্রকৃতি। এসব এলাকায় দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে ঝুঁকি নিয়েই চলছে গাড়ি।

কয়েকদিন ধরেই পঞ্চগড়সহ উত্তরের জেলাগুলোতে শীত বেড়েছে। দিনের বেলায় ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও রাত থেকে সকালের অনেকটা সময় বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে মানুষ গরম কাপড় পরিধান করছে।

এমন আবহাওয়ায় পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে বিপাকে পড়েছেন হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ। আয়-রোজগার কমেছে খেটে খাওয়া মানুষের। বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগও। কোথাও কোথাও সরকারি হাসপাতালে রোগীর বাড়তি চাপ সামাল দিতে হিমশিম অবস্থা। শীতে নষ্ট হচ্ছে ফসলের আবাদ। কপালে দুশ্চিন্তার ভাজ কৃষকদের।

তেতুঁলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, হিমালয়ের কাছে হওয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে তেঁতুলিয়ায় বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সামনের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

এসএম