শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ২টার দিকে নগরীর বাকির মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আবদুল ওই এলাকার বদরুল সরকারের ছেলে। বাড়ির সামনেই মুদি দোকান চালাতেন তিনি।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যার পর চন্ডিপুর এলাকা থেকে কয়েকজন যুবক আবদুলের দোকানে এসে ভাঙতি টাকা চান। আবদুল ভাঙতি দিতে না পারায় তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতিও হয়।
পুলিশ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বিরোধের জের ধরে রাতের দিকে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র ও পেট্রল বোমা নিয়ে আবদুলের বাড়ির সামনে যায়। তারা প্রথমে দোকানের শাটারের তালা ভেঙে ফেলে। পরে পেট্রল বোমা ছুড়ে দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
দোকানে আগুন দেখতে পেয়ে আবদুল ও পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বাইরে বের হন। এ সময় হামলাকারীরা আবদুলকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে।
হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা আবদুলকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে রোববার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
তিনি জানান, নিহতের মরদেহ রামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এজাহার পাওয়ার পর অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এস











